নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ঘটনা ১: জয়শ্রী মণ্ডল তাঁর পাঁচ বছরের ছেলের আধার কার্ড করানোর জন্য একবার রাজপুর পোস্ট অফিস, একবার বারুইপুর হেড পোস্ট অফিসে চক্কর কাটছেন। কিন্তু কোথাও আধার কার্ড করাতে পারছেন না। কোথাও বলা হচ্ছে লিঙ্ক নেই, কোথাও আবার বলছে, আধার ওয়েবসাইট থেকে ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু সেটাও মিলছে না। হয়রানির একশেষ।
Advertisement
ঘটনা ২: সবিতা অধিকারী ও পলাশ অধিকারী তাঁদের আধার কার্ডে কিছু তথ্য সংশোধন করবেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন। কোনও সরকারি জায়গায় সেই কাজ হয়নি। শেষ পযর্ন্ত এক হাজার টাকা দিয়ে সাইবার কাফে থেকে সেই কাজ করিয়েছেন। তবে এখনও নতুন কার্ড হাতে পাননি।
সোনারপুর ও বারুইপুরজুড়ে আধার কার্ড করাতে গিয়ে এভাবেই জেরবার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সরকারি জায়গায় ঘুরে ঘুরে কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সাইবার কাফের উপর ভরসা করতে হচ্ছে অনেককে। যেখানে ৫০-১০০ টাকায় সব কাজ হয়ে যাওয়ার কথা, সেই জায়গায় অনেক বেশি টাকা দিয়ে আধার করাতে হচ্ছে। বারুইপুর হেড পোস্ট অফিসে যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের স্পষ্ট বলে দেওয়া হচ্ছে, ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ ছাড়া কাজ হবে না। কিন্তু যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আধার ওয়েবসাইটে সেই কাজ করতে যাচ্ছেন, তখন সেটা হচ্ছে না। তাছাড়া, লিঙ্ক না থাকার সমস্যা তো লেগেই আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার সংক্রান্ত কাজ না করানোর জন্য অনেকের ব্যাঙ্কের কাজ আটকে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে কাজ না হওয়ায় কেউ সল্টলেক, কেউ বা কলকাতায় গিয়ে সেই কাজ করিয়ে আনছেন। এই হয়রানি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। কেন স্থানীয় পোস্ট অফিসে এই কাজ হচ্ছে না, সেটাই তাঁদের প্রশ্ন। তবে এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি বলে দাবি আধার কর্তৃপক্ষের। তাই বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি তারা।
সোনারপুর ও বারুইপুরজুড়ে আধার কার্ড করাতে গিয়ে এভাবেই জেরবার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সরকারি জায়গায় ঘুরে ঘুরে কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সাইবার কাফের উপর ভরসা করতে হচ্ছে অনেককে। যেখানে ৫০-১০০ টাকায় সব কাজ হয়ে যাওয়ার কথা, সেই জায়গায় অনেক বেশি টাকা দিয়ে আধার করাতে হচ্ছে। বারুইপুর হেড পোস্ট অফিসে যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের স্পষ্ট বলে দেওয়া হচ্ছে, ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ ছাড়া কাজ হবে না। কিন্তু যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আধার ওয়েবসাইটে সেই কাজ করতে যাচ্ছেন, তখন সেটা হচ্ছে না। তাছাড়া, লিঙ্ক না থাকার সমস্যা তো লেগেই আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার সংক্রান্ত কাজ না করানোর জন্য অনেকের ব্যাঙ্কের কাজ আটকে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে কাজ না হওয়ায় কেউ সল্টলেক, কেউ বা কলকাতায় গিয়ে সেই কাজ করিয়ে আনছেন। এই হয়রানি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। কেন স্থানীয় পোস্ট অফিসে এই কাজ হচ্ছে না, সেটাই তাঁদের প্রশ্ন। তবে এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি বলে দাবি আধার কর্তৃপক্ষের। তাই বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি তারা।



