নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এমাসেই বিভিন্ন পণ্যের জিএসটি হারের পরিবর্তনে সিলমোহর দেওয়ার কথা জিএসটি কাউন্সিলের। জিএসটির হারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী মন্ত্রিগোষ্ঠী জামাকাপড়ের উপর জিএসটি হার সংক্রান্ত যে সুপারিশ করেছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বস্ত্র ব্যবসায়ীরা। তাঁদের কথায়, মন্ত্রিগোষ্ঠীর সুপারিশ কার্যকর হলে সংগঠিত পোশাক শিল্প মার খাবে। তাতে সমস্যায় পড়বেন ক্রেতারাও।
Advertisement
বর্তমানে এক হাজার টাকা বা তার কম দামের পোশাকের উপর জিএসটির হার ধার্য হয় ৫ শতাংশ হারে। তার উপরের দামের পোশাকের ক্ষেত্রে জিএসটির হার ১২ শতাংশ। এই হারের পরিবর্তনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ভার পড়ে কয়েকটি রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে তৈরি মন্ত্রিগোষ্ঠীর উপর। সেই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। ওই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত দামের পোশাকের ইপর জিএসটি হবে ৫ শতাংশ হারে। তার উপরের দামের ক্ষেত্রে জিএসটির হার এক ধাক্কায় বাড়িয়ে ১৮ শতাংশ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। ১০ হাজার টাকার বেশি দামের পোশাকের উপর জিএসটি ২৮ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মন্ত্রিগোষ্ঠী জিএসটির হারের ব্যাপারে যে সুপারিশ বা সিদ্ধান্ত নিক না কেন, তা চূড়ান্ত হবে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে।
পোশাক ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত পোশাকে জিএসটির হার ৫ শতাংশ রাখার সুপারিশ সদর্থক পদক্ষেপ। কিন্তু তার উপরের দামের পোশাকের উপর যে হার কার্যকর করার সুপারিশ করা হয়েছে, তা সংগঠিত পোশাক শিল্পের উপর ভয়াবহ আঘাত হানবে। তার কারণ, অসংগঠিত ক্ষেত্রে কালোবাজারি বাড়বে। নিজেদের ব্যবসা হারাবে সংগঠিত ক্ষেত্র। পাশাপাশি ক্রেতারাও যেমন বেশি দামে পোশাক কিনতে বাধ্য হবেন, তেমনই গুণগত মান সম্পর্কেও নিশ্চিত হতে পারবেন না। কেন্দ্রে যদি এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয়, তাহলে দেশে প্রায় এক লক্ষ পোশাক কর্মী কাজ হারাবেন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
পোশাক ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত পোশাকে জিএসটির হার ৫ শতাংশ রাখার সুপারিশ সদর্থক পদক্ষেপ। কিন্তু তার উপরের দামের পোশাকের উপর যে হার কার্যকর করার সুপারিশ করা হয়েছে, তা সংগঠিত পোশাক শিল্পের উপর ভয়াবহ আঘাত হানবে। তার কারণ, অসংগঠিত ক্ষেত্রে কালোবাজারি বাড়বে। নিজেদের ব্যবসা হারাবে সংগঠিত ক্ষেত্র। পাশাপাশি ক্রেতারাও যেমন বেশি দামে পোশাক কিনতে বাধ্য হবেন, তেমনই গুণগত মান সম্পর্কেও নিশ্চিত হতে পারবেন না। কেন্দ্রে যদি এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয়, তাহলে দেশে প্রায় এক লক্ষ পোশাক কর্মী কাজ হারাবেন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।



