নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই’র ক্ষেত্রে আমেরিকা, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের মতো দেশগুলি প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে আছে। সেখানে শিল্পসংস্থাগুলির ৪০ শতাংশই ইন্টারনেট অব থিংস এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছে। কিন্তু ভারতে সেই হার এখনও ১৫ শতাংশ। এর অন্যতম কারণ, এখানকার ছোট শিল্প সংস্থাগুলির প্রযুক্তির সুফল সম্পর্কে সঠিক ধারণাই গড়ে ওঠেনি। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন অ্যাসোচেম ইস্টার্ন রিজিয়ন ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের এমএসএমই সাব কাউন্সিল চেয়ারম্যান অখিলেশ জৈন। তাঁর কথায়, এরজন্য যেমন সচেতনতা বাড়াতে হবে, তেমনই সরকারি তহবিল, দক্ষ কর্মচারী এবং প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো তৈরিতেও জোর দিতে হবে। অ্যাসোচেম আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে টেক্সম্যাকোর এমডি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় এরাজ্যে শিল্প-সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জেনেভার একটি রেটিং বলছে, বিজ্ঞাননির্ভর শহর হিসেবে ভারতের মধ্যে কলকাতা শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাপত্র জমার ভিত্তিতে এই সাফল্য এসেছে। বিশ্বে কলকাতার স্থান ৮৪। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদন শিল্পে উন্নতির জন্য সবকিছু মজুত আছে। এখানে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিরতা আছে। তাই এখানে শিল্পোন্নয়ন অবশ্যই সম্ভব। তাঁর অভিমত, এখানে সব কিছু থাকা সত্ত্বেও নেতিবাচক ধারণাই সামনে আসছে।



