নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়েছিল আগেই। এবার প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের পথে যাচ্ছে চুঁচুড়ার আন্দোলনকারী অস্থায়ী পুরকর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাতে মহকুমা শাসকের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক কার্যত ভেস্তে গিয়েছে। তারপরেই ওই ইঙ্গিত প্রকাশ্যে এসেছে। আন্দোলনকারী ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বৈঠক চলাকালীন আন্দোলনকারীদের সাফাই কাজে নামতে বলেছিলেন মহকুমা শাসক। কিন্তু তাতে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা রাজি হননি। তারপরেই দু’পক্ষের মধ্যে মতান্তর তীব্র হয়। কার্যত কোনও সমাধান সূত্র ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে।
Advertisement
এদিকে, শুক্রবার কর্মবিরতি ১৩ দিন অতিক্রম করল। প্রায় দু’সপ্তাহ ঝাঁটা পড়েনি শহরে। গোটা শহর নরকের চেহারা নিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শহরবাসীর একাংশ পাল্টা নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলা নিয়ে চর্চা শুরু করেছেন। তারই মধ্যে শুক্রবার এক কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে জোর করে কর্মীদের দিয়ে সাফাই কাজ করানোর অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। যা নিয়ে এদিন পুরভবনে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে আন্দোলনকারী অস্থায়ী কর্মীরা প্রতিবাদে পদযাত্রা করেন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। শহর সাফাইয়ের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হতে শুরু করেছে। বড়দিন ও নতুন বছরকে সামনে রেখে উৎসব মরশুমের মুখে সাফাই সঙ্কটে বিপাকে পড়েছেন চুঁচুড়ার বাসিন্দারা।
এনিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, প্রশাসনের কর্তাদের বাস্তব অবস্থার কথা আমি জানিয়েছি। সুডা কর্মীদের রাস্তায় নামানোর জন্য প্রশাসনকে বলেছি। আশা করছি, নাগরিকদের স্বার্থে তাঁরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করবেন। পুরসভার শ্রমিক নেতা অসীম অধিকারী বলেন, মহকুমা শাসক সাফাই কাজে নামার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আন্দোলনকারী কর্মীরা তাতে রাজি হননি। আমরা পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে পরিকল্পনা করছি।
প্রসঙ্গত, গত ১ ডিসেম্বর থেকে চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের আন্দোলনের জেরে শহরে সাফাই কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আন্দোলনকারী ও পুরসভার দ্বন্দ্ব ১৩ দিনেও মেটেনি। ফলে, গোটা শহর নরক হয়ে উঠেছে। সেই নরক যন্ত্রণায় ভুগছেন নাগরিকরা। নিজস্ব চিত্র
এনিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, প্রশাসনের কর্তাদের বাস্তব অবস্থার কথা আমি জানিয়েছি। সুডা কর্মীদের রাস্তায় নামানোর জন্য প্রশাসনকে বলেছি। আশা করছি, নাগরিকদের স্বার্থে তাঁরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করবেন। পুরসভার শ্রমিক নেতা অসীম অধিকারী বলেন, মহকুমা শাসক সাফাই কাজে নামার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আন্দোলনকারী কর্মীরা তাতে রাজি হননি। আমরা পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে পরিকল্পনা করছি।
প্রসঙ্গত, গত ১ ডিসেম্বর থেকে চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের আন্দোলনের জেরে শহরে সাফাই কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আন্দোলনকারী ও পুরসভার দ্বন্দ্ব ১৩ দিনেও মেটেনি। ফলে, গোটা শহর নরক হয়ে উঠেছে। সেই নরক যন্ত্রণায় ভুগছেন নাগরিকরা। নিজস্ব চিত্র



