


নয়াদিল্লি: গত ২০ ফেব্রুয়ারি এআই সামিটে বিক্ষোভ মামলা। তিন অভিযুক্ত কংগ্রেস কর্মীকে গ্রেপ্তার করতে হিমাচল প্রদেশে গিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু নিয়মভঙ্গের অভিযোগে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যে আটক হলেন দিল্লি পুলিশের ২০ জন কর্মী। একবার নয় একাধিকবার। বুধবার ভোর ৫টা থেকে দিল্লি ও হিমাচল প্রদেশ পুলিশের সংঘাত শুরু হয়। যবনিকা পতন হল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায়। ২৫ ঘণ্টা পর অভিযুক্তদের নিয়ে রাজধানীতে ফিরলেন দিল্লি পুলিশের কর্মীরা।
জানা যাচ্ছে, বুধবার ভোর ৬টা ১৫ নাগাদ সৌরভ, সিদ্ধার্থ ও আরবাজ নামে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের দল। ধৃতদের নিয়ে ফেরার পথে তাঁদের গাড়ি আটকে দেয় হিমাচল পুলিশ। স্থানীয় পুলিশকে না জানিয়ে এবং আদালতের ট্রানজিট রিমান্ড ছাড়াই অভিযুক্তদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই যুক্তি দিয়েই দিল্লি পুলিশ কর্মীদের বাধা দেওয়া হয়। ঘণ্টা তিনেক পর আটক দিল্লি পুলিশের কর্মীদের আদালতে নিয়ে যায় সিমলা পুলিশ। দিল্লি পুলিশকে সেখানে পিটিশন ফাইল করতে দেওয়া হয়নি। আদালত সিমলা পুলিশের পিটিশনের শুনানি করেনি। এবার তিন অভিযুক্তকে নিয়ে আদালত চত্বর থেকে বেরোনোর সময় দিল্লি পুলিশের কর্মীদের ফের আটক করা হয়।
রাত আটটা নাগাদ দিল্লি পুলিশের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর দিল্লি পুলিশকে নিয়ে যাওয়া হয় সিমলার অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট একাংশ কপিলের বাসভবনে। রাত দেড়টার কিছু পরে ট্রানজিট রিমান্ডে অভিযুক্তদের নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পায় দিল্লি পুলিশ। যদিও ঘটনায় একে অপরের বিরুদ্ধে তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলেছে দিল্লি ও হিমাচল পুলিশ।
এআই সামিটে বিক্ষোভের ঘটনায় কংগ্রেস কর্মীদের গ্রেপ্তারি নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা রাহুল গান্ধীর। তাঁর দাবি, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ভিন্নমত প্রকাশকে দেশবিরোধী তকমা দেওয়া হচ্ছে। শাসককে প্রশ্ন করলে বলা হচ্ছে-ষড়যন্ত্র।