


নয়াদিল্লি: ভারত মণ্ডপমে এআই সম্মেলন চলাকালে শুক্রবার আমেরিকার সঙ্গে বানিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে জামা খুলে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন যুব কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রের শাসক ও বিরোধী দলের বাকযুদ্ধে মাঝেই এবার শার্টলেস বিক্ষোভ মামলায় মঙ্গলবার যুব কংগ্রেসের সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেপ্তার করল দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বেশ কয়েকজন যুব কংগ্রেস নেতা ও কর্মীকে। এপর্যন্ত মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিন উদয়কে গ্রেপ্তারের পর সুর চড়িয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘স্বৈরাচারী প্রবণতা এবং কাপুরুষোচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। দলের সাহসী সহকর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন রায়বেরেলির সাংসদ। পাতিয়ালা হাউস আদালতে তোলা হলে উদয়ের চারদিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। উদয়কে গ্রেপ্তারি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রাহুল সরাসরি নিশানা করেছেন মোদিকে। তিনি লিখেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ভারতীয়দের গণতান্ত্রিক অধিকার। যুব কংগ্রেসের সাহসী সঙ্গীরা আপস করে ফেলা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশের স্বার্থে আওয়াজ তুলেছেন। রাহুলের অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষক ও বস্ত্রশিল্পের ক্ষতি হবে। এই সত্য তুলে ধরার জন্যই উদয় ও যুব কংগ্রেসের অন্যান্যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি রাহুলের। পুলিশ জানিয়েছে, সম্মেলন স্থলে ঢুকে ওই যুব কংগ্রেস নেতাকর্মীরা জামা খুলে টি-শার্ট পরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সেই টি-শার্টে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে নানা স্লোগান লেখা ছিল। এমনকী তাঁরা দেশ বিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন বলেও পুলিশের দাবি। ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে বিজেপি। এমনকী কংগ্রেসের সহযোগী দলগুলিও এই ঘটনার সমালোচনা করেছে। ঘটনার পরেই তিলক মার্গ থানায় এফআইআর দায়ের হয়। পুলিশ জানায়, ‘প্রতিবাদের পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।’