নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্ষমতায় এসেই ‘মা ক্যান্টিনের’ নাম বদলে ‘মা আহার’ করেছে বিজেপি সরকার। একইসঙ্গে ডিম-ভাতের পাশাপাশি মাছ-ভাতও খাওয়ানো চালু হয়েছে রাজ্যের পুর এলাকায় ছড়িয়ে থাকা এই ক্যান্টিনগুলি থেকে। এবার এই ক্যান্টিনগুলিতেই বসিয়ে খাওয়ানোর ব্যবস্থা চালু হবে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুক্রবার বিধানসভায় পুর বাজেট নিয়ে আলোচনার জবাবই ভাষণে এই ঘোষণা করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘মা আহার প্রকল্পের সম্প্রসারণ-সহ একাধিক নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা এটা নতুন করে ডেভেলপ করব। এখানে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। রেস্তরাঁয় যেমন আমরা খাই, তেমন করা হবে।’
এছাড়া ‘অম্রুত প্রকল্পে’ বিপুল অর্থব্যয়ের পরেও ২৫ লক্ষ বাড়িতে এখনো জল সংযোগ না পৌঁছানোর কারণেও পূর্বতন সরকারকে খোঁচা দেন মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে নিয়ে পুরদপ্তরের সক্রিয়তার কারণে পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিলে অতিরিক্ত প্রায় ৮০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। আগামী একবছরের মধ্যে সমস্ত জমে থাকা আবর্জনার পাহাড় বা ‘লেগাসি ওয়েস্ট’ সরানো হবে বলেও তিনি জানান। সেই লক্ষ্যেই আগামী ১০ দিনের মধ্যে দরপত্র ডাকার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৩১ জুলাই সমস্ত পুরসভায় চালু হবে স্বচ্ছ অ্যাপ। বাজেট বিতর্কে অংশ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম নদীয়ার করিমপুর এবং উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জকে নতুন পুরসভা করার আবেদন জানান।
অন্যদিকে, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের বাজেট আলোচনার জবাবি ভাষণে জল জীবন মিশনে দুর্নীতি নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে এফআইআর রুজু চালু হবে বলেও জানিয়েছেন বিভাগীয় মন্ত্রী অজয় পোদ্দার। তিনি বলেন, ‘কে কাটমানি খেয়েছে আমি দেখব না। কল আছে কিন্তু জল নেই। এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী ঠিকাদার, সরকারি আধিকারিক, ইঞ্জিনিয়ার এবং পঞ্চায়েতের লোকজন। পাঁচদিনের মধ্যেই বিধায়কদের বই দেব। তাতে প্রকল্পের অগ্রগতির বিস্তারিত বিবরণ থাকবে। আর ১৫ দিনের মধ্যে চালু হবে এফআইআর রুজু।’