প্রয়াগরাজ, ২০ জানুয়ারি: গতকাল, রবিবারই প্রয়াগরাজে পূর্ণকুম্ভের মেলায় আচমকা আগুন লেগে যায়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু কুঁড়েঘর ও তাঁবু। এই আবহে আজ, সোমবার পূর্ণকুম্ভের মেলায় অগ্নিসুরক্ষা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল উত্তর প্রদেশ সরকার।
Advertisement
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “মেলা প্রাঙ্গণে কোনও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে মানুষ যেন দ্রুত পুলিস এবং দমকলে খবর দেয়। অগ্নিসুরক্ষা সংক্রান্ত নম্বরগুলি হল ১১২, ১৯২০ এবং ১০৯০।” বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “মেলা প্রাঙ্গণে কোথাও আগুন লাগলে, মানুষ যেন চিৎকার করে সবাইকে অন্যান্যদের সতর্ক করে। তাছাড়া পুণ্যার্থীরা যেন তাঁদের নিকটতম প্রস্থানের রাস্তা সম্পর্কে অবগত থাকেন।”
প্রসঙ্গত, রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ পূর্ণকুম্ভের মেলার ১৯ নম্বর সেক্টরের একটি তাঁবুতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় ওই তাঁবুটিতে। চোখের নিমেষে তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের তাঁবুগুলিতে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন আশপাশে থাকা লোকজন। ওই তাঁবুগুলি থেকে পুণ্যার্থী ও সাধুদের দ্রুত নিরাপদ জায়গার সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে প্রশাসন। মেলা চত্বরেই মোতায়েন দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। দমকলের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরাও। সেই সময় আরও কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। যার জেরে নতুন করে একের পর তাঁবুতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। তাঁবুগুলিতে প্রায় একশো জন মতো মানুষ থাকলেও কোনও প্রাণহানি হয়নি বলে উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে মেলাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি ১৯ নম্বর সেক্টর ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও যোগীকে ফোন করে ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে, সেই খবর নিয়েছেন।
কুম্ভমেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক বিবেক চতুর্বেদী বলেন, “৭০ থেকে ৮০ টি কুঁড়েঘর ও অন্তত ১০টি তাঁবু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।”
প্রসঙ্গত, রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ পূর্ণকুম্ভের মেলার ১৯ নম্বর সেক্টরের একটি তাঁবুতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় ওই তাঁবুটিতে। চোখের নিমেষে তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের তাঁবুগুলিতে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন আশপাশে থাকা লোকজন। ওই তাঁবুগুলি থেকে পুণ্যার্থী ও সাধুদের দ্রুত নিরাপদ জায়গার সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে প্রশাসন। মেলা চত্বরেই মোতায়েন দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। দমকলের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরাও। সেই সময় আরও কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। যার জেরে নতুন করে একের পর তাঁবুতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। তাঁবুগুলিতে প্রায় একশো জন মতো মানুষ থাকলেও কোনও প্রাণহানি হয়নি বলে উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে মেলাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি ১৯ নম্বর সেক্টর ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও যোগীকে ফোন করে ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে, সেই খবর নিয়েছেন।
কুম্ভমেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক বিবেক চতুর্বেদী বলেন, “৭০ থেকে ৮০ টি কুঁড়েঘর ও অন্তত ১০টি তাঁবু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।”



