নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: উত্তর বারাকপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জয়শ্রী দাস। তাঁকে রায়দিঘি থেকে পাকড়াও করেছে পুলিস। তাঁর স্বামীর হদিশ এখনও মেলেনি। সত্যজিৎবাবুর সুইসাইড নোটে জয়শ্রী দাস ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেল করে টাকা হাতানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও টিটাগড় থানা এলাকার শহিদ সরণি এলাকা থেকে শুভজিৎ বিশ্বাস ওরফে সন্তু ওরফে প্রসেনজিৎ ও শুক্লা বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত তিনজনকে বারাকপুর এসিজেএম আদালতে তোলা হলে বিচারক মণিকা চট্টোপাধ্যায় সাতদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
উত্তর বারাকপুর পুরসভার আনন্দমঠ এলাকায় একটি ভাড়াবাড়ির চিলেকোঠা থেকে ভাইস চেয়ারম্যানের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে আড়়াই পাতার একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গিয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভজিৎ বিশ্বাসকে ক্লাবের সম্পাদক সাজিয়ে জয়শ্রী ও তাঁর গ্যাং সত্যজিৎবাবুর থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে। মূলত, জয়শ্রী দাসের কাছে ভিডিও ছিল। সেই ভিডিওতে ভাইস চেয়ারম্যানের এমন কিছু ছবি ছিল, তা প্রকাশ্যে এলে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হতো। তাই, তাদের দাবি মতো সত্যজিৎবাবু টাকা দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু, দিনের পর দিন এই চাপ মেনে নিতে না পেরে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পুলিস এই ঘটনায় যে বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করেছে, তারা রায়দিঘি, টিটাগড় ও বারাকপুরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে অভিযান চালায়। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিন আদালতে তোলার সময় জয়শ্রী দাস সাংবাদিকদের বলেন, আমি কোনও টাকা নিইনি। তবে, কে টাকা নিয়েছে, সেই প্রশ্নে নীরব থেকেছেন তিনি।
বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি নর্থ গণেশ বিশ্বাস বলেন, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পিছনে একটি চক্র রয়েছে। এই চক্রের বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হবে। অন্যদিকে, রাতে বাবনপুরে জয়শ্রী দাসের বাড়ির সামনে মহিলাদের বিক্ষোভ। তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতে আর কখনও জয়শ্রী দাসকে এই এলাকায় ঢুকতে দেবেন না তারা। - নিজস্ব চিত্র
পুলিস এই ঘটনায় যে বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করেছে, তারা রায়দিঘি, টিটাগড় ও বারাকপুরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে অভিযান চালায়। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিন আদালতে তোলার সময় জয়শ্রী দাস সাংবাদিকদের বলেন, আমি কোনও টাকা নিইনি। তবে, কে টাকা নিয়েছে, সেই প্রশ্নে নীরব থেকেছেন তিনি।
বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি নর্থ গণেশ বিশ্বাস বলেন, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পিছনে একটি চক্র রয়েছে। এই চক্রের বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হবে। অন্যদিকে, রাতে বাবনপুরে জয়শ্রী দাসের বাড়ির সামনে মহিলাদের বিক্ষোভ। তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতে আর কখনও জয়শ্রী দাসকে এই এলাকায় ঢুকতে দেবেন না তারা। - নিজস্ব চিত্র



