নয়াদিল্লি: এবার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রেও দেশের বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা বাড়তে চলেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এমনই ঘোষণা করেছেন। ডিআরডিও-র প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন তিনি। জানা যাচ্ছে, বেসরকারি সংস্থাগুলি এবার লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইলও তৈরি করবে। আপাতত ভাবনা শুরু হয়েছে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল এবং ১৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ‘প্রলয়’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে। দায়িত্ব পেতে পারে আইসিওএমএম, ভারত ফোর্জ, আদানি ডিফেন্স-এর মতো বেসরকারি সংস্থা।
উল্লেখ করা হয়েছে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নামও। রয়েছে, ১০০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার নেক্সট জেন অ্যান্টি রেডিয়েশন মিসাইল। ৩০০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার রুদ্রম-২ হাইপারসনিক এয়ার-টু-গ্রাউন্ড মিসাইল। ১০০ কিলোমিটার পাল্লার লং রেঞ্জ গ্লাইড বম্ব। এতে এক টন পর্যন্ত ওজনের ওয়ারহেড থাকতে পারে। এছাড়া ২৫-৩০ কিলোমিটার পাল্লার কুইক রিয়াকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল। যা একসঙ্গে ছটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। তালিকায় রয়েছে শর্ট রেঞ্জ ডিফেন্স সিস্টেমও। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার প্রবেশকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে বড়ো পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হিসাবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন উপাদান ও সাব-সিস্টেমের প্রায় ৫০টি ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলি সরবরাহ করে। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে দেশে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের পরিমাণ বাড়বে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের।