Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্কুল হস্টেলে ছাত্রীদের নির্যাতনের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

স্কুলের হস্টেলে থাকা ছাত্রীদের শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠল খোদ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

স্কুল হস্টেলে ছাত্রীদের নির্যাতনের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে
  • ১৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: স্কুলের হস্টেলে থাকা ছাত্রীদের শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠল খোদ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সূতির ছাপঘাটি কেডি হাইস্কুলের ওই ঘটনায় সোমবার দুপুরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে স্থানীয় নেতৃত্ব ও অভিভাবকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

Advertisement

এনিয়ে জানতে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। জঙ্গিপুরের মহকুমা স্কুল পরিদর্শক(মাধ্যমিক) সন্দীপ কোঁড়া বলেন, স্কুলে বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে। তাছাড়া হস্টেল বিভাগটি সরাসরি আমার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। তবে যতদূর জেনেছি, এই হস্টেল বিভাগটি সর্ব শিক্ষা মিশনের অধীনে পরিচালিত হয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আমি অফিসে এসে দেখা করার নির্দেশ দিয়েছি।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাপঘাটি কেডি হাইস্কুলের হস্টেলে থাকা ছাত্রীদের উপর দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক কৌশিক দাস। ছাত্রীদের অভিযোগ, সোমবার আচমকাই হস্টেলে এসে তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আপত্তিকর ও খারাপ আচরণ করেন প্রধান শিক্ষক। হস্টেলের বাথরুমে ঢুকে গিয়েও ছাত্রীদের হেনস্তা করা হয় বলে দাবি। এখানেই শেষ নয়, ছাত্রীদের অভিযোগ হস্টেলে যে খাবার দেওয়া হয়, তার মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং তা মুখে তোলার অযোগ্য। নজরদারির জন্য হস্টেলে যে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি রয়েছে, সেগুলির সিংহভাগই অচল করে রাখা হয়েছে। যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে। সোমবার এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়েই দলবল নিয়ে স্কুল চত্বরে হাজির হন স্থানীয় বিজেপি নেতা মহাবীর ঘোষ। তিনি সরাসরি অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের ঘরে গিয়ে এই ঘটনার জবাবদিহি চান এবং তাঁর উপযুক্ত শাস্তির দাবি তোলেন। উত্তেজনা ছড়ালে খবর দেওয়া হয় থানায়। পরে সূতি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ছাত্রীদের বয়ান ও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। থানার এক অফিসার বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ