Bartaman Logo
২৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভূতনি ব্রিজে আবর্জনায় নিকাশি বন্ধ সাফ করলেন পুলিশ আধিকারিকরা

আবর্জনায় নিকাশি বন্ধ। লাগাতার বৃষ্টির জেরে কাদা জমেছে ভূতনি ব্রিজের দু’ধারে। যার ফলে মাঝেমধ্যে ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।

ভূতনি ব্রিজে আবর্জনায় নিকাশি বন্ধ সাফ করলেন পুলিশ আধিকারিকরা
  • ১১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: আবর্জনায় নিকাশি বন্ধ। লাগাতার বৃষ্টির জেরে কাদা জমেছে ভূতনি ব্রিজের দু’ধারে। যার ফলে মাঝেমধ্যে ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। তাই কোদাল হাতে সাফাই অভিযানে নামলেন ভূতনি থানার ওসি সহ সিভিক ভলান্টিয়াররা। পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Advertisement

মানিকচক ব্লকের ভূতনি ব্রিজ ব্যস্ততম। মানিকচকের সঙ্গে ভূতনির তিনটি অঞ্চলের প্রায় দেড় লক্ষ মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই ব্রিজ। কিন্তু রবিবার সকালে দেখা যায় অন্য চিত্র। কোদাল,ঝাঁটা, বস্তা, বালতি নিয়ে ব্রিজে উপস্থিত হন ভূতনি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। পুলিশ কী করতে চলেছে, তা নিয়ে কৌতুহল বাড়ে এলাকায়। তাঁরা কী  করবেন, নিত্যযাত্রীরা তা বুঝে ওঠার আগেই দেখেন ব্রিজের দু’ধারে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করতে শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিক, সিভিকরা।
প্রায় দুই কিলোমিটার লম্বা এই সেতুটি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে পরিষ্কার করেন তাঁরা। এই সাফাই অভিযানে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় ভূতনি থানার ওসি ওয়াংডেন তামাং সহ অন্য পুলিশ কর্মী এবং সিভিকদের। কিন্তু হঠাৎ এই সাফাই অভিযান কেন? জানা গিয়েছে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন যাতায়াত করে এই ব্রিজের উপর দিয়ে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্রিজের উপর জমছে আবর্জনা। এখানে প্রতিদিন বিকেলে ঘুরতে আসেন বহু স্থানীয় বাসিন্দা। সেখানে রয়েছে অনেক খাবারের দোকান। খাওয়ার পর কাপ, প্লেট সহ অন্য সামগ্রী ফেলে দেওয়া হয় ব্রিজেই। আবর্জনা জমে থাকে ব্রিজের রাস্তার দু’ধারে। কিন্তু সেসব পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয় না কেউ।
গত কয়েক দিন বৃষ্টি হওয়ায় ব্রিজ থেকে জল যেতে পারছে না আবর্জনা জমে থাকায়। ড্রেনের মুখ বন্ধ থাকায় জল জমতে শুরু করে। যাতায়াতের সময় মাঝেমধ্যেই ঘটছে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা। তাই সাধারণ মানুষকে বিপদ থেকে বাঁচাতে এবং ভূতনি ব্রিজ আবর্জনামুক্ত করতে সাফাই অভিযানে নামেন ওসি সহ পুলিশ আধিকারিকরা। যদিও এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি ভূতনি থানার আধিকারিকরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ