


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটে কমিশনের বিশেষ নজরে ডায়মন্ডহারবার। ইতিমধ্যে ভোটারদের ভয়ে দেখানোর ভিডিয়ো প্রকাশ করে কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, রবিবারের মধ্যে ভোটারদের সম্পূর্ণভাবে হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন যে ডায়মন্ডহারবারে বাড়তি নজর দিচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে নতুন করে যে ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠানো হয়েছে, তাতেই চমক দিয়েছে কমিশন। নতুন ১১ পর্যবেক্ষকের তালিকার পয়লা নম্বরেই রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের আইপিএস, অজয় পাল শর্মা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মূলত ভোটের দিন ডায়মন্ডহারবারে নজরদারির জন্যই এই ‘এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট’কে নিয়োগ করেছে কমিশন।
তার পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিলেন দীপ্তি শর্মা নামে এক মহিলা। তিনি নিজেকে অজয় শর্মার স্ত্রী বলে দাবি করেন। লখনউয়ের হজরতগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্রে তিনি জানান, ২০১৬ সালে অজয় গাজিয়াবাদের পুলিশ সুপার থাকাকালীন তাঁদের বিয়ে হয়। তবে ওই পুলিশ অফিসারের একাধিক বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার কারণে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। দীপ্তির মোবাইলে অজয়ের নানা কুকীর্তির প্রমাণও ছিল। তবে অজয় প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে সেইসব প্রমাণ মুছে দেন বলে দাবি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দীপ্তির। এমনকি মিথ্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারও করানো হয়। পালটা অজয়ের দাবি, তাঁদের বিয়ে হয়নি। বরং তিনি কিছু ভিডিয়ো ক্লিপিংস দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছিলেন।