Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নিষেধাজ্ঞা জারির পরও চীনা মাঞ্জায় মৃত্যু ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ

নামেই পুলিশের কড়াকড়ি! বাস্তবে যে তার কোনও ইতিবাচক প্রভাব নেই, বুধবার আরও একবার সেটাই প্রমাণ হয়ে গেল। নিষিদ্ধ চীনা মাঞ্জার সুতোয় গলা কেটে মৃত্যু হল প্রাক্তন এক সেনাকর্মীর।

নিষেধাজ্ঞা জারির পরও চীনা মাঞ্জায় মৃত্যু ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ
  • ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নামেই পুলিশের কড়াকড়ি! বাস্তবে যে তার কোনও ইতিবাচক প্রভাব নেই, বুধবার আরও একবার সেটাই প্রমাণ হয়ে গেল। নিষিদ্ধ চীনা মাঞ্জার সুতোয় গলা কেটে মৃত্যু হল প্রাক্তন এক সেনাকর্মীর। এদিন দুপুরে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে একটি ল্যাম্পপোস্টে ঝুলে থাকা ঘুড়ির সুতোয় এই ঘটনা ঘটে। ফি-বছর বিশ্বকর্মা পুজো এলেই চীনা মাঞ্জা কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে যেন ত্রাস হয়ে ওঠে। প্রাণহানি এড়াতে বারাকপুর কমিশনারেটের তরফে এক্সপ্রেসওয়েজুড়ে ‘সাবধান-বাণী’ দেওয়া হয়। কিন্তু এদিনের মর্মান্তিক ঘটনার পর আম জনতার প্রশ্ন, চীনা মাঞ্জা নিয়ে সচেতন করে স্রেফ কয়েকটা ব্যানার-হোর্ডিং ঝুলিয়ে দিলেই কি প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ? আর কিছুই করার নেই তাদের? তাহলে কি এভাবে বেঘোরে প্রাণ চলে যাওয়াটাই ভবিতব্য? তবে শুধু বারাকপুর কমিশনারেট এলাকা বললে ভুল হবে, হাওড়া, হুগলির বিস্তীর্ণ শহরতলি জুড়েই চলেছে চীনা মাঞ্জার দেদার বিক্রিবাটা। বাদ নেই কলকাতাও। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার থেকে কলকাতার বড়বাজারে চীনা মাঞ্জার সুতো বিক্রি হচ্ছে। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বেহালা, তারাতলা, বেলেঘাটা, চেতলা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে চীনা মাঞ্জার ব্যবহার নজরে এসেছে। তবে কলকাতা পুলিশের দাবি, শহরে কোথাও চীনা মাঞ্জায় দুর্ঘটনার খবর নেই। এদিন মা ফ্লাইওভারে অবশ্য এই কারণে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। হাওড়া-আমতা রোডের ধারে বাঁকড়া বাজার এলাকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি চীনা মাঞ্জার দোকান। বাইরে থেকে দেখে সাধারণ মুদি দোকান মনে হলেও আড়ালে চলছে এই কারবার। হুগলির শ্রীরামপুর, চুঁচুড়া সদর, ব্যান্ডেলেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ