


সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: রমজান মাসের আগেই দাম বেড়েছিল ফলের। প্রথম রোজা শুরু হতেই একলাফে আরও অনেকটা বেড়ে যায় বেশ কয়েকটি ফলের দাম। অভিযোগ পেয়েই রঘুনাথগঞ্জের একাধিক ফলের বাজারে হানা দেয় পুলিস। লাগাতার হানা দিয়ে ফল বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়। বর্তমানে ফলের দাম অনেকটাই কম বলে বিক্রেতাদের দাবি। ফলের দাম নাগালে থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে ক্রেতারা। ঘনঘন পুলিসি হানার ফলেই দাম নাগালের মধ্যে এসেছে বলে পুলিসের দাবি। কিছু মরশুমি ফলের আমদানি বেশি হওয়ায় দাম পড়ে গিয়েছে। অপরদিকে, মরশুম শেষ এমন ফলের জোগান কম ফলে এমনিতেই একটু দাম চড়া। ডিইবির এসআই বশিষ্ঠ রায় বলেন, সোমবার রঘুনাথগঞ্জের মিয়াপুরের ফল বাজারে অভিযান চালানো হয়েছে। মোটামুটি ঠিকই দাম রয়েছে। দাম যাতে বেশি না নেওয়া হয় তার জন্য বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে। গত রবিবার এক লাফে প্রায় সমস্ত ফলের দাম অনেকটাই বেড়ে যায়। শসা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। আপেল, কলা, তরমুজ সহ প্রায় অধিকাংশই ফলের দাম বেড়ে যায়। সেই শসার দাম এক ধাক্কায় অর্ধেক কমে গিয়েছে। বর্তমানে শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। পড়তি বাজারে শসার দাম আরও কিছুটা কম হয়। ১০-২০ টাকা কেজি দরে শসা বিক্রি হয়। পাতিলেবুও ১০ টাকায় চারটি মিলছে। আপেলের দাম ২০০ টাকা কেজি দরে। যদিও কলার দাম তুলনামূলকভাবে একটু চড়া। দেশি কলা ৫০ টাকা কেজি ও সিঙ্গাপুরি কলা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সেখানে আঙুর বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। বেদানা ২০০ টাকা কেজি ও তরমুজ ২৫ টাকা কেজি।
মিঠিপুরের পাইকারি ফল বিক্রেতা নাসিম শেখ বলেন, যে ফলের মরশুম শেষ সে ফলের দাম বেশি রয়েছে। তরমুজ ও শসা ১০-২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। আঙুর, খেজুর, মোসাম্বির দাম ঠিকই আছে। রোজার প্রথম দু’একদিন একটু দাম বাড়ে। যদিও দিন কয়েক আগেই, শসা ৭০ টাকা কেজি, কলা ৫০ টাকা কেজি, আপেল ২৫০ টাকা কেজি, মাঝারি সাইজের মোসাম্বি লেবু ২০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছিল। ফলের দাম বাড়ার অভিযোগ পেয়েই পুলিস রঘুনাথগঞ্জের ফুলতলা, ট্রাফিক মোড়, জঙ্গিপুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও মিয়াপুরের ফল বাজারে হানা দেয়। রঘুনাথগঞ্জের ফল বিক্রেতা লালবাবু শেখ বলেন, আড়ত থেকে যে ফল আমরা বেশি দাম দিয়ে কিনছি তার থেকে দু’পাঁচ টাকা বেশি না নিলে কিছু থাকে না।