Bartaman Logo
১১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রেলের ফাঁকা জমি কাজে লাগিয়ে হাওড়া শহরে সৌন্দর্যায়নের ভাবনা, পূর্ব রেলের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা পুর প্রতিমন্ত্রীর

হাওড়া শহরের সৌন্দর্যায়ন ও উন্নয়নে রেলের জমি ব্যবহার নিয়ে আলোচনা চলছে। রাজ্যের পুর দপ্তরের উদ্যোগে নতুন প্রকল্পের সম্ভাবনা। বিস্তারিত পড়ুন।

রেলের ফাঁকা জমি কাজে লাগিয়ে  হাওড়া শহরে সৌন্দর্যায়নের ভাবনা, পূর্ব রেলের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা পুর প্রতিমন্ত্রীর
  • ১১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়া শহরের সৌন্দর্যায়ন ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দিতে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। এ বিষয়ে সম্প্রতি পূর্ব রেলের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই। মূলত রেলের অধীনে থাকা ফাঁকা জমির পরিমাণ, সম্ভাব্য ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে সেগুলিকে কীভাবে জনস্বার্থে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে প্রাথমিক স্তরে আলোচনা হয়েছে।

Advertisement

হাওড়া শহরের বিস্তীর্ণ অংশ রেলের জমির উপর গড়ে ওঠায় বহু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দুই সংস্থার সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে দপ্তর। সেকারণেই স্টেশন চত্বর, ফেরিঘাট, রাস্তা সম্প্রসারণ, নিকাশি ব্যবস্থা ও রেল-সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাওড়া স্টেশন চত্বরকে আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে তোলা, ফেরিঘাটের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন, মেট্রো, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবার মধ্যে উন্নত সমন্বয় গড়ে তোলার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে।
এছাড়াও লিলুয়ার রানি ঝিল সংস্কার করে নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও জলাশয়ের সৌন্দর্যায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বেলুড় সহ একাধিক রেল আন্ডারপাসে সামান্য বৃষ্টিতে জল জমার সমস্যা দূর করতে ভবিষ্যতে কীভাবে যৌথভাবে কাজ করা যায়, এ বিষয়েও মত বিনিময় হয়েছে। ফোরশোর রোড সম্প্রসারণ, রেলের পরিত্যক্ত বা অব্যবহৃত জমিকে জনস্বার্থে ব্যবহার, ফোরশোর রোড সংলগ্ন ‘শ্রীপূর্ণা’ পার্কের ভবিষ্যৎ এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে ওই বৈঠকে।
উমেশ রাই বলেন, এটি প্রাথমিক পর্যায়ের বৈঠক। কোন প্রকল্প কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, কোন সংস্থা কতটা দায়িত্ব নেবে বা কোন জমিতে কী ধরনের কাজ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে রেল ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বামনগাছি ব্রিজ, চাঁদমারি ব্রিজ এবং পরবর্তী সময়ে বঙ্কিম সেতু সংস্কারের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি উঠে এসেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ