নয়াদিল্লি: ‘আমাদের ফোন ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। কোনো কথা না শুনেই পুলিশ বেধড়ক মারধর করতে থাকে। গোপনাঙ্গে লাথি, ঘুষি মারতে থাকে। ওরা অপ্রাপ্তবয়স্কদেরও রেহাই দেয়নি।’ চোখে-মুখে আতঙ্ক। হাতে কালশিটে দাগ। ঠিক করে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন না। সেই অবস্থাতেই রবিবারের ঘটনার বর্ণনা করছিলেন এক তরুণ।
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে উত্তাল দিল্লি। পুলিশি দমন-পীড়ন, ধরপাকড় উপেক্ষা করে রবিবারও কনট প্লেস ও যন্তরমন্তরের কাছে দফায় দফায় জমায়েত করে বিক্ষোভকারীরা। এরপরই অভিযানে নেমে প্রায় ৫০ জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে অনেক নাবালক-নাবালিকাও ছিল। জানা গিয়েছে, তাদের মধ্য দিল্লি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে পান্ডওয়ালন খুর্দে নামে একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কমিউনিটি সেন্টারে আটকে রাখা হয়েছিল তাদের।
যুবকদের একাংশের কথায়, রাস্তা থেকে তোলার পর থেকেই মারধর করা হয়েছে। গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়েছে। জোর করে ফোন ছাড়িয়ে বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিয়ো ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। রীতিমতো বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। যাতে আইনি ও চিকিৎসা সহায়তা না পৌঁছায়। অর্জুন উন্নিকৃষ্ণণ নামে আটক হওয়া এক আইনজীবী বলেন, ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর হাসছিলেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। এই বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না।
বিষয়টি নিয়ে সমালোচনায় সরব ককরোচ জনতা পার্টি, কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। তাঁদের কথায়, পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের ইশারায় চলছে।



