Bartaman Logo
২৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আজ অমাবস্যা, ফলহারিণী কালীপুজো, এই তিথিতে সারদাদেবীকে দক্ষিণেশ্বরে ষোড়শীরূপে পুজো করেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ

আজ, শনিবার ফলহারিণী কালীপুজো। এই মহা অমাবস্যা তিথিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে শ্রীরামকৃষ্ণদেব দশমহাবিদ্যার অন্যতম দেবী ষোড়শী রূপে পুজো করে ছিলেন সারদাদেবীকে।

আজ অমাবস্যা, ফলহারিণী কালীপুজো, এই তিথিতে সারদাদেবীকে দক্ষিণেশ্বরে ষোড়শীরূপে পুজো করেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ
  • ১৬ মে, ২০২৬ ১৪:০৫
Prefer us on Google

সুকান্ত বসু, কলকাতা: আজ, শনিবার ফলহারিণী কালীপুজো। এই মহা অমাবস্যা তিথিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে শ্রীরামকৃষ্ণদেব দশমহাবিদ্যার অন্যতম দেবী ষোড়শী রূপে পুজো করে ছিলেন সারদাদেবীকে। এই পুণ্যদিনে প্রতিবছর দক্ষিণেশ্বরে বিশেষ পুজো হয়। দেবীকে নানা উপাচারে ভোগ নিবেদনের রীতি। পুজো দেখতে বহু দূর থেকে মানুষ আসেন। এছাড়া বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরেও হয় বিশেষ পুজো। অনেকের বিশ্বাস, এই তিথিতে দেবীর পুজো করলে অশুভ শক্তির নাশ হয় এবং শুভ শক্তি ফললাভ করে। তাই দেবীকে তুষ্ট করতে এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন ধরণের ফল কালীকে নিবেদন করার রীতি।

Advertisement

শাস্ত্রমতে এ পুজোর বিশেষ মাহাত্ম্য। এদিন ফুলের মালার বদলে গোটা ফল দিয়ে মালা তৈরি করে দেবীমূর্তিকে পরানো হয়। অনেকে মন্দিরে নিজের পছন্দের ফল ঠাকুরকে নিবেদন করেন। মানুষের বিশ্বাস, এভাবে 
ভক্তের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। যে ফল দেবীকে নিবেদন করা হয় তা টানা একবছর খাওয়া নিষেধ। একবছরের মধ্যে মনেস্কামনা পূরণ হওয়ার 
পর মন্দিরে পুজো দিয়ে তবেই সেই ফল খাওয়া যায়। দেবীকে পুজো দেওয়ার পর অনেকে সেটি প্রসাদী ফল হিসাবে বাড়িতে রেখে দেন। ইচ্ছাপূরণের পর ফলটি জলে ভাসিয়ে দিতে হয়। মানুষের বিশ্বাস, এই পুজো করলে অর্থ, যশ ও সংসারে সুখ শান্তি বজায় থাকে। 
বরানগর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সারদাত্মানন্দ বলেন,‘ফলহারিণী কথার অর্থ হল, ফল হরণ করা। অর্থাৎ দেবী কালী সমস্ত অশুভ ফল বিনাশ করে থাকেন। ভক্তের পরম আকুতিতে মা এদিন অমবস্যার রাতে মর্ত্যে নেমে আসেন। তিনি ভক্তের চোখে সদা বিরাজমান। তাঁর প্রকাশ সর্বত্র।’ 
স্বামীজী জন্মভিটার সম্পাদক স্বামী জ্ঞানলোকানন্দ বলেন, ‘প্রতিটি অমাবস্যার মতো এই তিথিরও 
বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। সে কার঩ণে ফলহারিণী কালীপুজোর গুরুত্ব আলাদা। এ দিনে মা কালী ফলহারিণী নামে পুজো পান।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ