সংবাদদাতা, বারুইপুর: বিয়েতে রাজী নন পাত্রী। সেজন্য তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হল। এমন অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবক সহ তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে কুলতলিতে।
Advertisement
ওই পাত্রী কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। দু’মাস আগে মায়ের সঙ্গে স্থানীয় ব্যাঙ্কে কাজে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে দেখে পছন্দ হয় এক মহিলার। তিনি তাঁর ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন ছাত্রীর মাকে। এরপর ওই কলেজছাত্রী মায়ের কথা মতোই ছেলেটির মোবাইলে তাঁর ছবি পাঠান। পাশাপাশি, ছেলেটির বাড়িতে মেয়েটির পরিবারকে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণও জানানো হয়।
সেই কথা মতো পাত্রীপক্ষ ছেলেটির বাড়িতেও যায়। কিন্তু পাত্রীর বাড়ির লোকজনের পছন্দ হয়নি পাত্র রজনী মণ্ডলকে। তাই বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন পাত্রীপক্ষ। পাত্রীর মায়ের অভিযোগ, এরপর থেকেই অভিযুক্ত রজনী মেয়েকে রাস্তায় বিরক্ত করতে থাকে। বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হতো মেয়েকে। এমনকী রজনী আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছিল। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় শনিবার রাতে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লোকজন নিয়ে আমাদের বাড়িতে চড়াও হয় তাঁরা। মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু প্রতিবেশীরা এই খবর পেয়ে হাজির হয়ে যাওয়ায় তা হয়নি। এরপরেই পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে অভিযুক্ত রজনী সহ তার সঙ্গীদের গ্রেপ্তার করে।
সেই কথা মতো পাত্রীপক্ষ ছেলেটির বাড়িতেও যায়। কিন্তু পাত্রীর বাড়ির লোকজনের পছন্দ হয়নি পাত্র রজনী মণ্ডলকে। তাই বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন পাত্রীপক্ষ। পাত্রীর মায়ের অভিযোগ, এরপর থেকেই অভিযুক্ত রজনী মেয়েকে রাস্তায় বিরক্ত করতে থাকে। বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হতো মেয়েকে। এমনকী রজনী আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছিল। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় শনিবার রাতে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লোকজন নিয়ে আমাদের বাড়িতে চড়াও হয় তাঁরা। মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু প্রতিবেশীরা এই খবর পেয়ে হাজির হয়ে যাওয়ায় তা হয়নি। এরপরেই পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে অভিযুক্ত রজনী সহ তার সঙ্গীদের গ্রেপ্তার করে।



