নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিফটিং ডিউটি রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা। অথচ বিশ্ব যোগ দিবসের দিন সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ ইমার্জেন্সিতে সারপ্রাইজ ভিজিট দিতে গিয়ে হাসপাতালের কর্তারা হতবাক। কোথায় রোগী সহায়ক! ভোঁ ভা! ইমার্জেন্সির সামনে অ্যাডমিশন কাউন্টারে গিজগিজ করছে ভিড়। কিন্তু, টিকিট করার কেউ নেই। রোগীর পরিবারকে সাহায্য করার মতোও কেউ নেই। ততক্ষণে ক্ষোভ ছড়িয়েছে হাসপাতালে। শুরু হয়েছে অশান্তি। কোথায় গেলেন ইমার্জেন্সি টিকিট করার দায়িত্বপ্রাপ্ত রোগী সহায়ক? খোঁজখবর নিয়ে হাসপাতালের কর্তারা জানতে পারেন, কাউকে কিছু না জানিয়ে ওই অস্থায়ী কর্মী রাত ২ টোর সময় চলে গিয়েছেন। তাহলে রাত ২টো থেকে তাঁর ডিউটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত যত রোগী এসেছিলেন, তাঁদের হয়রান হতে হয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরপর দু’দিন হয়েছে শুনানি। অভিযোগ, সেই খবর জানাজানি হতেই বিজেপির একাধিক ‘দাবাং’ নেতা হাসপাতালের কর্তাদের ফোন করে ওই রোগী সহায়কের ব্যাপারে ‘নরম’ হওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে বিজেপির স্বাস্থ্যক্ষেত্রের এক ‘স্বঘোষিত’ নেতাও আছেন। প্রতিক্রিয়া জানতে ন্যাশনালের উপাধ্যক্ষ এবং কার্যনিবাহী অধ্যক্ষ ডাঃ অর্ঘ্য মৈত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন ধরেননি। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেব। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার বলেন, নিশ্চিতভাবে খোঁজ নেব এ বিষয়ে।



