Bartaman Logo
২৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর সামনে হাজির করানো হল পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাতবাসী পরিবারকে

পার্ক স্ট্রিটে ফুটপাতবাসী শিশুর দুধ গরম নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলছে তীব্র বিতর্ক।

মুখ্যমন্ত্রীর সামনে হাজির করানো হল পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাতবাসী পরিবারকে
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পার্ক স্ট্রিটে ফুটপাতবাসী শিশুর দুধ গরম নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলছে তীব্র বিতর্ক। সোমবার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছ’মাসের শিশুটি ও তার পরিবারের দায়িত্ব নেবেন বলে জানিয়েছিলেন। তার পর রাত পোহাতে না পোহাতে মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপি অফিসে নিয়ে আসা হল পরিবারটিকে। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ এদিন তাঁদের নিয়ে আসেন বলে জানান। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পরিবারটির কথা হয়। শিশুটি তখন দিদিমার কোলে শুয়ে ফিডিং বোতল থেকে গরম দুধ খাচ্ছিল।

Advertisement

মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপি পার্টি অফিসে ছিল জনতার দরবার। সেখানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ছিলেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ঠাসা ভিড়ে হঠাৎ শিশুটি ও তার পরিবারকে দেখা গেল। শুভেন্দু দরবার সেরে বেরনোর পথে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। জানান, পুরসভার সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের আশ্রয়হীন হতে হবে না। এরপর বিরোধীদের কটাক্ষ, ‘হাওয়া খারাপ দেখে শিশুটিকে অফিসে এনে ড্যামেজ কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছে বিজেপি। তবে পুরমন্ত্রীর দুর্ব্যবহার ও অমানবিকতা এভাবে ঢাকতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী।’ 
এদিন জনতার দরবারে আরও অনেকে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। নবদ্বীপ থেকে এসেছিল এক পরিবার। অভিযোগ, তাঁদের মেয়ের চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা জানান, একটি নার্সিহোমের চিকিৎসক মূত্রথলি কেটে বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন। তারপর তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। মৃতের নাম দীপা মিশ্র। তাঁর মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবি নিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তাঁরা জানান, সঠিক বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া ৯ মাসের সন্তানের চিকিৎসার সাহায্যপ্রার্থী হয়ে শেওড়াফুলি থেকে এসেছিলেন এক দম্পতি। বাচ্চাটি জেনেটিক ডিসঅর্ডার অসুখে আক্রান্ত বলে তাঁরা জানান। এছাড়া হরিহরপাড়া থেকে চন্দন সাহা এসেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে খুনের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দোকান দখল করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। রাজ্যে পালাবদলের পর সুবিচার চাইতে এবং দোকান ফেরত পেতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। এর পাশাপাশি ডঃ কৃষ্ণা বালা নামে এক প্রৌঢ়া এসেছিলেন। তাঁদের একটি সেবাশ্রমের তহবিলের টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। মহিলা তার সুরাহা চাইতে এসেছিলেন সল্টলেকে বিজেপি অফিসে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ