হায়দরাবাদ: নিজামের শহরে ট্যাংরা কাণ্ডের ছায়া। দুই সন্তানকে খুনের পর আত্মহত্যা করলেন বাবা-মা। বাড়ি থেকে মিলেছে সুইসাইড নোটও। সোমবার গভীর রাতের ঘটনা। চারজনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিস।
হায়দরাবাদ: নিজামের শহরে ট্যাংরা কাণ্ডের ছায়া। দুই সন্তানকে খুনের পর আত্মহত্যা করলেন বাবা-মা। বাড়ি থেকে মিলেছে সুইসাইড নোটও। সোমবার গভীর রাতের ঘটনা। চারজনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিস।
পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম চন্দ্রশেখর রেড্ডি (৪৪), তাঁর স্ত্রী কবিতা (৩৫) এবং তাঁদের দুই সন্তান বিশ্বান (১০) এবং শ্রীতা (১৩)। তাঁরা হায়দরাবাদের হাবসিগুড়ার বাসিন্দা। মঙ্গলবার সকালে দু’টি পৃথক ঘর থেকে চারজনের দেহ উদ্ধার করে পুলিস। একটি ঘরে চন্দ্রশেখর ও কবিতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পাশের ঘরে দুই সন্তানের দেহ বিছনার উপর পড়ে ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, দুই সন্তানকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর ওই দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন।
কেন সপরিবারে আত্মহত্যা? এনিয়ে তদন্তে নেমেছে পুলিস। মৃতদের ঘর থেকে তেলুগু ভাষায় লেখা একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। পুলিসের অনুমান, পরিবারের চরম পথ বেছে নেওয়ার পিছনে রয়েছে আর্থিক অনটন। ‘সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, নিজেদের জীবন শেষ করে দেওয়া ছাড়া কোনও পথ খোলা ছিল না। কেরিয়ার নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। তাছাড়া ডায়াবেটিস, নার্ভ ও কিডনির রোগে ভুগছিলাম। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।’ পুলিস জেনেছে, ২০২৩ সাল থেকে বেকার ছিলেন চন্দ্রশেখর। সম্প্রতি তিনি একটি বেসরকারি কলেজে জুনিয়র অধ্যাপকের চাকরি পান। তাঁর স্ত্রীও কোনও চাকরি করতেন না। আর্থিক অনটন এবং মানসিক অবসাদের জেরে দুই সন্তানকে মেরে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিসের অনুমান।