Bartaman Logo
২৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবাস যোজনার নামে নেওয়া টাকা ফেরত দিলেন পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী

আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এক বছর কেটে গেলেও ঘর মেলেনি

আবাস যোজনার নামে নেওয়া টাকা ফেরত দিলেন পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এক বছর কেটে গেলেও ঘর মেলেনি। শেষ পর্যন্ত টাকা ফেরতের দাবিতে সাঁকরাইলের নলপুর পঞ্চায়েতের এক অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে বিজেপির দ্বারস্থ হন অভিযোগকারীরা। আর তারপরেই রবিবার রাতে তিন জনের হাতে মোট ২৩ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়। যদিও ওই অস্থায়ী কর্মী হিরুলাল মণ্ডলের দাবি, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে টাকা ধার করেছিলেন তিনি।

Advertisement

বিজেপির দাবি, নলপুর পঞ্চায়েত এলাকায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতি চলছে। সরকার পরিবর্তনের পর বহু বাসিন্দা এমন অভিযোগ নিয়ে তাঁদের কাছে আসতে শুরু করেছেন। হাওড়া সদর যুবমোর্চার প্রাক্তন সহসভাপতি শান্তনু ঘোষ জানান, তিন অভিযোগকারীকে সঙ্গে নিয়ে দাদপুরে পঞ্চায়েতে অস্থায়ী কর্মী হিরুলালের বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরতের দাবি করা হয়। অভিযোগকারীদের একজন সমর মাকালের দাবি, ২০২৪ সালের এপ্রিলে হিরুলাল তাঁদের বাড়িতে গিয়ে জানান, আবাস যোজনায় তাঁদের ঘর এসেছে। সেই ঘর পেতে ১০ হাজার টাকা লাগবে। পরিবার কষ্ট করে কয়েক দিনের মধ্যে সেই টাকা জোগাড় করে দেয়। কিন্তু এক বছর পরেও ঘর না মেলায় টাকা ফেরত চান তাঁরা। অভিযোগ, টাকা চাইতে গেলে হুমকি দেওয়া হয়। পরে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের পর রবিবার রাতে টাকা ফেরত পান তাঁরা।
যদিও অভিযুক্ত হিরুলালের দাবি, তিনি পঞ্চায়েতের সামান্য অস্থায়ী কর্মী। আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর নেই। সংসারের প্রয়োজনে কয়েক জনের কাছ থেকে মোট ২৩ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। নলপুর পঞ্চায়েতের প্রধান ফুলেশ্বরী ধোঁক বলেন, অস্থায়ী কর্মী অফিসের বাইরে কী করছেন, তা সবসময় নজরে রাখা সম্ভব নয়। সাঁকরাইল ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, এখনও এই সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ