নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূল পরিচালিত ভাঙড়ের ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে নতুন করে বোর্ড গঠনের কথা ছিল শুক্রবার। কিন্তু আইএসএফের এক সদস্যের করা মামলায় বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত। এদিনের বোর্ড গঠন নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত থেকে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। দুষ্কৃতীদের বোমাবাজির জেরে এদিন সকাল থেকেই পঞ্চায়েত সংলগ্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা (বিএনএস) জারি করে ব্যাপক পুলিশি বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু এদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটল আরাবুলকে কেন্দ্র করে। বিধানসভা ভোটের আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দিয়ে ভোটে লড়েছিলেন তিনি। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে যাবতীয় মোহভঙ্গ হল তাঁর। শুক্রবার সেই দল ছাড়ার ঘোষণা করলেন। আইএসএফ’কে স্বৈরাচারী দল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। আরাবুলকে এদিন তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ খয়রুল ইসলামের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। তাহলে কি আবারও পুরানো দলে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তাজা নেতা? জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে, এদিন আদালতের রায়ের আগে পঞ্চায়েতের সামনে জড়ো হতে শুরু করেছিলেন দুই দলেরই সদস্যরা। কিন্তু বোর্ড গঠনের উপর স্থগিতাদেশের অর্ডার আসতেই সবাই চলে যান। অভিযোগ ফেরার পথে তৃণমূলের সদস্যদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মারা হয়। তাতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।



