Bartaman Logo
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রধান দুই সপ্তাহ অনুপস্থিত থাকলেই পঞ্চায়েতে প্রশাসক, নির্দেশ দিলীপের

প্রধান দু’সপ্তাহ গরহাজির থাকলে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রশাসক বসানোর নির্দেশ দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বহু পঞ্চায়েতে বিশেষ করে কোচবিহারে একটা রাজনৈতিক ডামাডোল চলছে।

প্রধান দুই সপ্তাহ অনুপস্থিত থাকলেই পঞ্চায়েতে প্রশাসক, নির্দেশ দিলীপের
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: প্রধান দু’সপ্তাহ গরহাজির থাকলে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রশাসক বসানোর নির্দেশ দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বহু পঞ্চায়েতে বিশেষ করে কোচবিহারে একটা রাজনৈতিক ডামাডোল চলছে। এতে উন্নয়নের কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে রবিবার কোচবিহারে এসে উষ্মা প্রকাশ করেন দিলীপ। এমন অবস্থায় কাজে গতি বাড়াতে বিধায়কদের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়ে যান তিনি। 

Advertisement

আবাস, শৌচালয় নির্মাণ, স্বচ্ছ ভারত, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মতো রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে এদিন একটি পর্যালোচনা বৈঠক হয়। কোচবিহার রবীন্দ্র ভবনে আয়োজিত বৈঠকে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার, এই দুই জেলার সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।   পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সহ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক, সচিব পি উলগানাথান, দুই জেলার ডিএম সহ পদস্থ কর্তারা। দুই জেলা, বিশেষ করে কোচবিহারের বহু গ্রাম পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী জেলাশাসকদের প্রশাসক বসানোর স্পষ্ট নির্দেশ দেন। পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যে পঞ্চায়েতে প্রধান ১৫ দিন ধরে আসছেন না, সেখানে প্রশাসক বসবে। বিধায়কদের বললাম, আপনারা রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করুন। উন্নয়নে যেন কোনো বাধা না আসে। যে আইন আমরা পালটেছি, সেই আইন যেন ঠিকঠাক থাকে। 
কোচবিহার জেলা কঠিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত ভালো কাজ করেছে বলে প্রশংসা করেন মন্ত্রী। যা রাজ্যের মধ্যে মডেল হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন। তবে আবাস ও শৌচালয় নির্মাণে কোচবিহার কিছুটা পিছিয়ে বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর। এদিনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ বলেন, পরিবর্তনের পরে বিশেষ করে কোচবিহার জেলাতে পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক কিছু সমস্যা হচ্ছে। বহু পঞ্চায়েতে অনাস্থা এসেছে। অনেক প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। সব জায়গায় নতুন বোর্ড তৈরি হয়নি। এই অবস্থা কতদিন চলবে, এর ফলে কাজের গতি মার খাচ্ছে। যেখানে ডামাডোল পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেখানে এমএলএদের হস্তক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। ধীরে ধীরে সব ঠিক করার চেষ্টা চলছে। 
পঞ্চায়েতমন্ত্রী বলেন, প্রধান না থাকার জন্য আধিকারিকরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। কোথাও আবার প্রধান থাকলেও আসছেন না। সেইজন্য আমি বলেছি, প্রধানকে বাদ দিয়েই সিদ্ধান্ত নিন। সেই অধিকার অফিসারদের দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয়, ওসব সমস্যার শীঘ্রই সমাধান হয়ে যাবে। -নিজস্ব চিত্র 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ