১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত অ্যাকাডেমির লাইব্রেরিয়ান ছিলেন মার্গারেট হেরিক। একদিন অ্যাকাডেমির একজন আধিকারিকের ডেস্কে তাঁর নজরে পড়ে বিশ্বখ্যাত সেই ট্রফিটি। সেটি দেখে কৌতুকের সুরে তিনি বলেন, ‘ট্রফির লোকটিকে আমার কাকা অস্কারের মতো দেখতে।’ একজন সাংবাদিক সেই সময় ওই অফিসে ছিলেন। পরেরদিন খবরটি লিখেছিলেন তিনি। মনে করা হয়, অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডকে সম্ভবত তখন থেকেই ‘অস্কার’ নামে ডাকা শুরু হয়। আবার, ১৯৩৬ সালে ‘ডেঞ্জারাস’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান বেটে ডেভিস। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই ট্রফি তাঁকে স্বামী হারমন অস্কার নেলসনের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেকে মনে করেন, এই বক্তব্যের পর থেকেই হয়তো ‘অস্কার’ নামটির সূত্রপাত। এই সংক্রান্ত আরও একটি তত্ত্ব রয়েছে। ১৯৩৪ সালে ‘মর্নিং গ্লোরি’ ছবির জন্য অস্কার পান ক্যাথরিন হেপবার্ন। হলিউড কলামনিস্ট সিডনি স্কোলস্কি তাঁর জয়কে ‘অস্কার’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। হলিউডের একাংশ মনে করে, এর মাধ্যমেই অস্কার কথার সূত্রপাত। ‘অস্কার’ শব্দের প্রচলন নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এই শব্দের ব্যবহার ১৯৩৯ বা তারপর থেকেই শুরু হয়েছে বলেই মনে করা হয়। আগে অস্কারের বিজয়ীদের মঞ্চে ডাকতে ব্যবহার করা হতো ‘অ্যান্ড দ্য উইনার ইজ’ বাক্যাংশ। ১৯৮৯ সালে এটি পরিবর্তন করা হয়। শুরু হয় ‘অ্যান্ড দ্য অস্কার গোজ টু...’। অ্যাকাডেমি কর্তৃপক্ষ মনে করে, মনোনীত ব্যক্তিরাও বিজয়ী। সে কারণেই এই বাক্যাংশের সূচনা।



