সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ফুলেশ্বরের কালসাপা পর্যটন কেন্দ্র অপরিষ্কার, ন্যূনতম পরিকাঠামো পর্যন্ত নেই। যে কারণে বছরের প্রথম দিন সেভাবে পর্যটকের দেখা পাওয়া গেল না কালসাপায়। বড়দিন বা বর্ষশেষের দিনে হাতেগোনা কয়েকজন পিকনিক করতে এলেও ভাবা হয়েছিল, ইংরেজি নববর্ষের দিনে হয়তো মান রাখবে ফুলেশ্বরের এই পর্যটন কেন্দ্র। কিন্তু এদিনও পর্যটকরা মুখ ফেরানোয় হতাশ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য, অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে যেসব সুবিধা থাকে, এখানে তা না থাকায় যতদিন যাচ্ছে পর্যটকরা কালসাপা থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন।
Advertisement
কয়েক বছর আগেও বছরের বিশেষ দিনগুলিতে পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট থাকত গঙ্গাপাড়ের এই পর্যটন কেন্দ্র। তবে গত কয়েক বছরে সেই চিত্র অনেকটাই বদলেছে। পয়লা জানুয়ারিতেও ফাঁকা থাকল এই পর্যটন কেন্দ্র। যে কয়েকটি পিকনিক পার্টি এসেছিল, তাদের মধ্যে দু’-একটি দল তারস্বরে ডিজে বাজানো বাজিয়ে এবং গাছের নীচে রান্না করে একাধিক নিয়ম ভেঙেছে। যদিও পরে পুলিসের হস্তক্ষেপে এসব বন্ধ হয়েছে। এদিন সকালে কালসাপা পর্যটন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল, মাঠের চারদিকে আর্বজনা ভর্তি। তারই মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে চলছে পিকনিক পার্টির রান্না। ব্যবসায়ীরা মাঠের বিভিন্ন জায়গায় পসরা নিয়ে বসলেও ক্রেতার অভাবে হতাশ হয়েছেন তাঁরা। তাঁদের কথায়, আগের মতো আর পর্যটকরা আসেন না। ফলে আমাদের বিক্রিবাটাও তেমন হয় না। আসলে এখানে কোনও পরিকাঠামো নেই। অপরিষ্কার মাঠ, শৌচালয়ের অভাব, ভাঙাচোরা রাস্তা, পানীয় জলের সমস্যা সহ একাধিক সমস্যা রয়েছে এখানে। সেকারণেই পর্যটকরা এখানে আসছেন না। এর জন্য প্রশাসনকেই দুষছেন তাঁরা। তাঁদের মতে, প্রশাসন কালসাপার দিকে নজর না দিলে ভবিষ্যতে এখানে কেউ আর আসবে না।
ব্যবসায়ীদের এই বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পর্যটকরাও। আরামবাগ থেকে আসা অনিমেষ সাঁতরা, পিউ মণ্ডল, অলোক বসু বলেন, এখানে শুধুমাত্র গঙ্গার শোভা দেখা ছাড়া আর কিছুই নেই। শিশুদের মনোরঞ্জনের কোনও ব্যবস্থা নেই। পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। আগে জানলে আমরা আসতাম না। বারাসত থেকে আসা শ্যামল মান্না, তাপস করাতি, সৌরভ দাসও একই মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন, শৌচালয়ের অভাব থাকায় মহিলাদের নিয়ে এখানে পিকনিক করতে আসা উচিত নয়।
ব্যবসায়ীদের এই বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পর্যটকরাও। আরামবাগ থেকে আসা অনিমেষ সাঁতরা, পিউ মণ্ডল, অলোক বসু বলেন, এখানে শুধুমাত্র গঙ্গার শোভা দেখা ছাড়া আর কিছুই নেই। শিশুদের মনোরঞ্জনের কোনও ব্যবস্থা নেই। পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। আগে জানলে আমরা আসতাম না। বারাসত থেকে আসা শ্যামল মান্না, তাপস করাতি, সৌরভ দাসও একই মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন, শৌচালয়ের অভাব থাকায় মহিলাদের নিয়ে এখানে পিকনিক করতে আসা উচিত নয়।



