নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: কলকাতার ফুসফুস বলা হয় ময়দানকে। তেমনই অমরাবতী মাঠকে পানিহাটি পুরসভার ফুসফুস বললে অত্যুক্তি হয় না। বড় জনসভা থেকে শুরু করে মেলা, খেলা, আনন্দ-অনুষ্ঠানের হাজারও স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মাঠ ঘিরে। প্রায় ৮৩ বিঘা এলাকাজুড়ে থাকা সেই অমরাবতী মাঠ বেসরকারি সংস্থাকে বেচে দেওয়া হচ্ছে বলেই খবর। তারপর মাঠ কোন কাজে লাগানো হবে, তা নিয়ে জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে পানিহাটি-সোদপুর এলাকায়। বিরোধী দল সিপিএম ইতিমধ্যে মাঠ বেচে দেওয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। শাসক দলের অবশ্য দাবি, বেসরকারি সংস্থার জমিতে সরকারের কোনও হস্তক্ষেপ চলে না। তবে পুরসভাকে জমি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
Advertisement
সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রাস্তার পাশে অবস্থিত অমরাবতী মাঠ নিয়ে এলাকার মানুষের নস্টালজিয়ার শেষ নেই। এই মাঠে জ্যোতি বসু থেকে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বহু তাবড় নেতানেত্রী সভা করে গিয়েছেন। পানিহাটি উৎসব সহ নানা ধরনের মেলা, খেলাধুলো সহ বিভিন্ন প্রয়োজনে অমরাবতী মাঠই ছিল এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা। এমনকী, বর্তমানে মাঠের একাংশ ডাম্পিং গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করছে পুরসভা। এই অবস্থায় চলতি মাসেই মাঠ বিক্রি করে দেওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। জানা গিয়েছে, এই মাঠের মালিক এসপিসিআই (সোসাইটি ফর দি প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ইন ইন্ডিয়া) নামে একটি সোসাইটি। স্থানীয় সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে মাঠের চারপাশের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলেছে সোসাইটি কর্তৃপক্ষ। মাঠের নির্দিষ্ট অংশে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
কী হবে সেখানে? জানা গিয়েছে, দিল্লির এক নামকরা গোষ্ঠীকে ৯৯ বছরের লিজে দেওয়া হবে মাঠটি। সেখানে নাকি আবাসনের পাশাপাশি হাসপাতাল, নার্সিং ট্রেনিং কলেজও তৈরি হবে। এছাড়া পুরসভার জন্য তৈরি করে দেওয়া হবে স্পোর্টস কমপ্লেক্স, সুইমিং পুল ও কমিউনিটি সেন্টার। বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে জমি দেখেও গিয়েছেন। লিজে দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এসপিসিআই’র সম্পাদক সৌভিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মহিলাদের সুরক্ষা দিতে ১৮৯৮ সালে এই সোসাইটি তৈরি হয়েছিল। অমরাবতী মাঠে একসময় ছেলেদের হস্টেল ছিল। ১৯৯০ সাল থেকে সেটি বন্ধ। ওই মাঠের উন্নয়নের বিষয়ে দিল্লির একটি সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে।’ স্থানীয় বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, ‘শহরে ১৬টি ফাস্ট ডিভিশন মাঠ রয়েছে। অমরাবতী মাঠ চুরির কোনও বিষয় নেই। বেসরকারি সংস্থা ওই জমিতে নানা উন্নয়নমূলক কাজ করবে। স্পোর্টস কমপ্লেক্স সহ একাধিক পরিকাঠামো তৈরি করে তা পুরসভাকে হস্তান্তর করবে বলে শুনেছি। সেখানে সমস্ত মেলা, খেলা, সভা ও অনুষ্ঠান করা যাবে।’
কী হবে সেখানে? জানা গিয়েছে, দিল্লির এক নামকরা গোষ্ঠীকে ৯৯ বছরের লিজে দেওয়া হবে মাঠটি। সেখানে নাকি আবাসনের পাশাপাশি হাসপাতাল, নার্সিং ট্রেনিং কলেজও তৈরি হবে। এছাড়া পুরসভার জন্য তৈরি করে দেওয়া হবে স্পোর্টস কমপ্লেক্স, সুইমিং পুল ও কমিউনিটি সেন্টার। বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে জমি দেখেও গিয়েছেন। লিজে দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এসপিসিআই’র সম্পাদক সৌভিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মহিলাদের সুরক্ষা দিতে ১৮৯৮ সালে এই সোসাইটি তৈরি হয়েছিল। অমরাবতী মাঠে একসময় ছেলেদের হস্টেল ছিল। ১৯৯০ সাল থেকে সেটি বন্ধ। ওই মাঠের উন্নয়নের বিষয়ে দিল্লির একটি সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে।’ স্থানীয় বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, ‘শহরে ১৬টি ফাস্ট ডিভিশন মাঠ রয়েছে। অমরাবতী মাঠ চুরির কোনও বিষয় নেই। বেসরকারি সংস্থা ওই জমিতে নানা উন্নয়নমূলক কাজ করবে। স্পোর্টস কমপ্লেক্স সহ একাধিক পরিকাঠামো তৈরি করে তা পুরসভাকে হস্তান্তর করবে বলে শুনেছি। সেখানে সমস্ত মেলা, খেলা, সভা ও অনুষ্ঠান করা যাবে।’



