ভুবনেশ্বর: অবস্থা স্থিতিশীল হলেও বিপদ কাটেনি। পুড়ে গিয়েছে শরীরের প্রায় ৭৫ শতাংশ। রবিবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভুবনেশ্বর থেকে দিল্লি এইমসে নিয়ে যাওয়া হল ওড়িশার পুরীর অগ্নিদগ্ধ কিশোরীকে। এদিকে, ঘটনার একদিন পার হয়ে গেলেও দুষ্কৃতীদের হদিশ পায়নি পুলিস। পুরো ঘটনায় ওড়িশার বিজেপি সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে পথে নেমেছে বিরোধীরা। এদিন বালাঙ্গা থানায় পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে বিজেডি কর্মী-সমর্থকরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
শনিবার বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে হঠাৎই কিশোরীর পথ আটকায় তিন বাইক আরোহী যুবক। কিছুক্ষণ দু’পক্ষের মধ্যে বচসা চলে। তারপর কিশোরীর গায়ে আগুন ধরিয়ে চম্পট দেয় ওই দুষ্কৃতীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে ভুবনেশ্বর এইমসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর আশুতোষ বিশ্বাস জানিয়েছেন, বর্তমানে কিশোরীর অবস্থা স্থিতিশীল। রক্তচাপ ক্রমে স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে আশঙ্কা কাটেনি। উন্নত চিকিৎসার জন্যই তাকে দ্রুত দিল্লি পাঠানো হয়েছে। এদিন এইমস ভুবনেশ্বর থেকে বিজু পট্টনায়েক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত গ্রিন করিডোর করে ওই কিশোরীকে নিয়ে যাওয়া হয়। মাত্র ১০-১২ মিনিটের মধ্যেই বিমানবন্দরে আনা হয় তাকে।
দিনকয়েক আগেই বালেশ্বরের ফকির মোহন কলেজে গায়ে আগুন দিয়েছিলেন এক ছাত্রী। ফের পুরীর ঘটনায় প্রশাসনের ব্যর্থতার দিকে আঙুল তুলেছে বিরোধী দলগুলি। শনিবারের পর রবিবারও একাধিক জায়াগায় পথে নেমেছে বিজেডি সহ একাধিক দল। এদিন বালাঙ্গা থানায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেডি কর্মী-সমর্থকরা। বাধা দিতে গেলে পুলিসের সঙ্গে ধুন্ধুমার বাধে। তাঁদের কথায়, ঘটনার একদিন পার হলেও অপরাধীদের টিকিও খুঁজে পায়নি পুলিস। বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলে রাজ্যের মহিলাদের কোনও সুরক্ষা নেই।