‘মহাভারতের কথা অমৃত সমান, কাশীরাম দাস কহে শুন পুণ্যবান।’ মহাভারতের এই শ্লোক সবার জানা। ষোড়শ শতাব্দীর সপ্তম দশকে অখণ্ড বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার সিঙ্গি গ্রামে মহাভারতের অনুবাদক কবি কাশীরাম দাসের জন্ম হয়। কমলাকান্ত দাসের (দেব) তিন সন্তানের মধ্যে কাশীরাম ছিলেন মধ্যম সন্তান। কৃষ্ণরাম বড় এবং কনিষ্ঠ পুত্র ছিলেন গদাধর। কৃষ্ণরাম দাস ‘কৃষ্ণবিলাস’ কাব্য রচনা করেছিলেন। অনুজ গদাধর দাস ‘জগন্নাথ মঙ্গল’ বা ‘জগৎমঙ্গল’ কাব্য রচনা করেছিলেন। কাশীরাম দাসের কাব্যনৈপুণ্য অবশ্য সকলেরই জানা। তিনি বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করে সাড়া ফেলেছিলেন। তাঁর মহাভারতের বাংলা অনুবাদ করতে সময় লেগেছিল ১৫৯৫ সাল থেকে ১৬১৩ সাল অবধি। ১৮ পর্বের ১ লক্ষ শ্লোকের মূল মহাভারতের বাংলা অনুবাদ করেছিলেন তিনি। ১৩৬৮ সালে সিঙ্গি গ্রামের বাসস্ট্যান্ডের কাছে তৈরি হয় কাশীরাম দাস স্মৃতি পাঠাগার। সেই পাঠাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়।
Advertisement
কাশীরাম দাসের জন্মভিটেতে প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন। তাঁদের মধ্যে কেউ নিছকই ঘুরতে, কেউ আবার আসেন গবেষণার জন্য। কিন্তু কবির সেই জন্মভিটে বেহাল হয়ে পড়েছে
বহুকাল। কয়েক বছর আগের কথা। একবার সেখানে খনন করতে গিয়ে একটি সুড়ঙ্গ কুঠুরি দেখতে পান গ্রামের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের মতে, ওই কুঠুরিতে বসেই নাকি কাশীরাম মহাভারতের অনুবাদ করতেন। সেইসব স্মৃতি সংরক্ষণের অভাবে এখন নষ্ট হতে বসেছে। ইতিহাসের এক অংশ হিসেবে কাশীরাম দাসের এই জন্মভিটে সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। উঠেছে সংরক্ষণের দাবিও।
বহুকাল। কয়েক বছর আগের কথা। একবার সেখানে খনন করতে গিয়ে একটি সুড়ঙ্গ কুঠুরি দেখতে পান গ্রামের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের মতে, ওই কুঠুরিতে বসেই নাকি কাশীরাম মহাভারতের অনুবাদ করতেন। সেইসব স্মৃতি সংরক্ষণের অভাবে এখন নষ্ট হতে বসেছে। ইতিহাসের এক অংশ হিসেবে কাশীরাম দাসের এই জন্মভিটে সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। উঠেছে সংরক্ষণের দাবিও।



