নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ব্রিগেড ময়দানে যেতে পারেননি অনেকেই। তাই বলে আনন্দ করার সুযোগ পাবেন না! রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের সূচনায় সেই আক্ষেপের সুযোগ দেয়নি বিজেপি। হুগলির একাধিক জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিন দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে একই মঞ্চে পালিত হয়েছে রবীন্দ্রজয়ন্তীও। ফলে, দলের কর্মীদের জন্য সুযোগ তৈরি থেকে বাঙালিকে বার্তা দেওয়া, দুই কাজই কৌশলে করেছে পদ্মপার্টির নেতৃত্ব। আনন্দ আরও একটু বাড়িয়ে দিতে ছিল দেদার মিষ্টি বিলির আয়োজনও। জেলার একাধিক জায়গায় এদিন উৎসাহীরা লাড্ডু বিলি করেছেন। সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সঙ্গে প্রযুক্তি আর আবেগের টানে জুড়ে গিয়েছিল হুগলি। এদিন সবচেয়ে বড় ও নজরকাড়া অনুষ্ঠান হয়েছে হুগলি জেলা সদর চুঁচুড়ায়। চুঁচুড়ায় রয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত বন্দে মাতরম ভবন। বাড়িটির গা ঘেঁষে বয়ে যায় গঙ্গা। সেখানেই ব্রিগেডর শপথ অনুষ্ঠান দেখানোর মঞ্চ বেঁধেছিল বিজেপি। সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক সুবীর নাগের উদ্যোগে ওই মঞ্চেই এদিন পালিত হয়েছে রবীন্দ্রজয়ন্তী। গানে, স্লোগানে মুখরিত ছিল গঙ্গাপাড়। সুবীরবাবু বলেন, শপথগ্রহণের পুণ্যলগ্নে আবেগময় অনুষ্ঠান হয়েছে। মানুষ যেভাবে অংশগ্রহন, প্রশংসা করেছেন তা অভূতপূর্ব। এদিন শহরময় গেরুয়া পোশাকে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের উৎসাহ দেখা গিয়েছে। চুঁচুড়ার অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাঁধনহারা আবেগ দেখেছে চুঁচুড়া।



