নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বারে বারে বায়ুদূষণ সূচকে করুণ দশার ছবি উঠে আসছে হাওড়া শহরের। ঘিঞ্জি এই শহরে এমনিতেই গাছ বসানোর জায়গা খুবই সীমিত। এর মধ্যে শিবপুরের ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইআইইএসটি) ক্যাম্পাসে একটি প্রাচীন আমগাছ কর্তৃপক্ষ কেটে ফেলায় ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতির গেরোয় প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারছেন না তাঁরা। তবে, ধীরে ধীরে যেখানে গাছের সংখ্যা কমছে, সেখানে কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের এই পদক্ষেপকে বিবেচনাহীন বলেই মনে করছেন তাঁরা।
Advertisement
সূত্রের খবর, মেটালার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফাউন্ড্রি সংলগ্ন একটি ভবন ভেঙে সেখানে বহুতল তোলা হচ্ছে। তাতেই কাটা পড়েছে বহু প্রাচীন গাছটি। একজন অধ্যাপক বলেন, চোখের সামনে দেখলাম, কীভাবে জায়গাটি ঘিরে এতদিনের প্রিয় গাছটি কেটে ফেলা হল। কেন্দ্রীয় সংস্থাই এর দায়িত্বে ছিল। তবে, তাদের প্ল্যান তো অনুমোদন করেছে কর্তৃপক্ষই। এমন কোনও ইঞ্জিনিয়ারিং প্ল্যান হতে পারে না, যাতে একটি গাছ বাঁচানো যায় না। এত বড় গাছের বিকল্প কখনও ছোট কিছু চারাও হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রেজিস্ট্রার অনির্বাণ গুপ্ত প্রথমে গাছটির কথা মনে করতে পারেননি। তারপর তিনি বলেন, নতুন ভবন তৈরির জন্য গাছটি বনদপ্তরের অনুমতি নিয়েই কাটা হয়েছে। বিকল্প চারাগাছও বসানো হচ্ছে।
যদিও শিক্ষকদের বক্তব্য, অরণ্য সপ্তাহ চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা সহস্রাধিক গাছের চারা বসিয়েছিলেন। অথচ, কর্তৃপক্ষের তরফে এরকম কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তবে, গাছ কাটার বিষয়ে কিন্তু কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রয়েছে। ক্যাম্পাসটি এই এলাকার অন্যতম ফুসফুস। তাই ক্যাম্পাসের সবুজ বাঁচিয়ে রাখতেও বাড়তি উদ্যোগ নিতে হবে কর্তৃপক্ষকে।
যদিও শিক্ষকদের বক্তব্য, অরণ্য সপ্তাহ চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা সহস্রাধিক গাছের চারা বসিয়েছিলেন। অথচ, কর্তৃপক্ষের তরফে এরকম কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তবে, গাছ কাটার বিষয়ে কিন্তু কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রয়েছে। ক্যাম্পাসটি এই এলাকার অন্যতম ফুসফুস। তাই ক্যাম্পাসের সবুজ বাঁচিয়ে রাখতেও বাড়তি উদ্যোগ নিতে হবে কর্তৃপক্ষকে।



