Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্ল্যাকবোর্ড

নোট বাতিলের ৮ বছর পূর্ণ

নোট বাতিল। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। প্রধানমন্ত্রী মোদির রাতের ভাষণে ঘোষণা, বাতিল হচ্ছে ৫০০ ও হাজার টাকার নোট। পরের দিন সকাল থেকেই হুড়োহুড়ি। লম্বা লাইন ব্যাঙ্কে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে লাইনে প্রাণ হারালেন অনেকে। সেই ঘটনার আতঙ্কের রেশ এখনও সাধারণ মানুষের মনে।

নোট বাতিলের ৮ বছর পূর্ণ
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
Prefer us on Google
নোট বাতিল। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। প্রধানমন্ত্রী মোদির রাতের ভাষণে ঘোষণা, বাতিল হচ্ছে ৫০০ ও হাজার টাকার নোট। পরের দিন সকাল থেকেই হুড়োহুড়ি। লম্বা লাইন ব্যাঙ্কে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে লাইনে প্রাণ হারালেন অনেকে। সেই ঘটনার আতঙ্কের রেশ এখনও সাধারণ মানুষের মনে। মোদি বলেছিলেন, কালো টাকা উদ্ধারের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু সাধারণ মানুষের বেঘারে প্রাণ যাওয়া ছাড়া আদৌ কি কোনও উপকার হয়েছে? কালো টাকা কি উদ্ধার হয়েছে? রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্টই বলছে, ওই দু’টি নোট ফিরে এসেছে ৯৯ শতাংশ। অর্থাৎ, কালো টাকা উদ্ধারের প্রতিশ্রুতিই সার।
Advertisement
কালো টাকা উদ্ধারের প্রয়াস অবশ্য ভারতে এই প্রথম নয়। ১৯৭০ সালে কালো টাকার উৎস সন্ধান ও তা রুখতে একটি কমিশন গঠন করে ভারত সরকার। যার নেতৃত্বে ছিলেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কৈলাশ ওয়াংছো। বিস্তর তদন্ত করে কয়েক বছর পরে কমিশন তার রিপোর্ট জমা দেয়। এরপরে কোপ পরে এক হাজার, পাঁচ হাজার ও দশ হাজারি নোটের উপরে। ১৯৭৮ সালের ১৬ জানুয়ারি এই তিনটি বড় অঙ্কের টাকা ব্যান করে সরকার। এর পরে এক হাজার, পাঁচ হাজার ও দশ হাজার টাকার নোটের কথা দেশের মানুষ প্রায় ভুলতেই বসেছিল। ২০০০ সালের নভেম্বরে অটলবিহারী বাজপেয়ি সরকার আবার হাজার টাকার নোট ফিরিয়ে আনে। ভারতে প্রথমবার নোট বাতিল হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। কয়েক মাস আগে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। চারিদিকে কালোবাজারির রমরমা। তা রোখার দাওয়াই হিসেবে নোট বাতিল করে ইংরেজ সরকার। ১৯৪৬  সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। স্বাধীনতার পর ১৯৫৪ সালে ফের ৫০০, হাজার  এবং ১০ হাজারের নোট চালু হয়েছিল।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ