বর্তমানেই আমার প্রথম চাকরি। কুড়ি বছর বয়সে। গত অক্টোবরে আমি ৬১ অতিক্রম করেছি। চাকরি পাওয়ার প্রথম দিকে বন্ধু পড়শিদের একটা প্রশ্ন বারবার ধেয়ে আসত, বরুণ সেনগুপ্তকে চোখে দেখেছিস? অফিসে তোরা যেখানে বসিস, সেখানে উনি আসেন রোজ? উত্তরে বলেছি, ‘এসে বসা কী রে... সকাল ৬টা থেকে শেষ পাতা ছাড়া পর্যন্ত নিউজ রুমেই কাটান। ওটাই বাড়িঘর, স্বপ্ন ও সংসার।’ রুটি, আলুভাজা দিয়ে ব্রেকফাস্ট , আর অফিসেই ডিনার। শুরুতে কিছুদিন মারুতি ভ্যানটাকেও ওঁকে চালাতে দেখেছি। তখন থাকতেন ক্যামাক স্ট্রিটে। সর্বক্ষণের ড্রাইভার আসে বেশ কিছু পরে। বর্তমানের পায়ের তলার মাটি একটু শক্ত হলে। পাছে ছাপার সময় নিউজপ্রিন্ট নষ্ট হয়, তাই প্রথম দিকে কিছুদিন মেশিন ফ্লোরের পাশে নস্যি রংয়ের চাদর গায়ে রাতে শুয়ে থাকতেও দেখেছি।
Advertisement
এত অনাড়ম্বরভাবে প্রথম শ্রেণির কোনও কাগজের শুরু আজকের আগ্রাসী বিপণনের দুনিয়ায় ভাবা যায়? কোথাও বাহুল্য না থাকলেও সাহস ও মাথা উঁচু করে নির্ভয়ে এগিয়ে যাওয়ায় এতটুকু খামতি ছিল না। প্রথম দিন থেকেই বর্তমান ছিল সাধারণ মানুষের স্বার্থে এবং সাধারণের জন্য আগাগোড়া নিয়োজিত। শহুরে প্রধান বাংলা কাগজের কৌলিন্যকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সেই শুরু হল আলাদা জেলার পাতা। মহিলাদের জন্য প্রতি শনিবার রঙিন চতুষ্পর্ণী। কম দামে সাধারণ মানুষের একান্ত কাছের কাগজ। কলকাতা শহর ছেড়ে বাঙালি পাঠক ক্রমে দূর গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বুঝেই আজ বর্ধমান, মেদিনীপুর, উত্তরবঙ্গ, গৌড়বঙ্গ, নদীয়া-মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া-পুরুলিয়া সহ অধিকাংশ জেলার জন্যই পৃথক সংস্করণ, যা মানুষের সঙ্গে বর্তমানের নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলেছে। অনেক চেষ্টা করেও, বিনা পয়সায় কাগজ বিলি সত্ত্বেও তা ভাঙতে ব্যর্থ অন্যরা। বাম আমল থেকেই নেতাদের পোষা হার্মাদদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে বর্তমান। আজও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামের সেইসব আগুন ঝরানো সংবাদ থেকে আজকের মেরুকরণের রাজনীতি, একশো দিনের টাকা আটকে দেওয়া এবং বলিষ্ঠ কলমে মোদি সরকারের হাতে বাংলার বঞ্চনার কথা তুলে ধরায় কোথাও এক মুহূর্তের জন্য কর্তব্যচ্যুত হয়নি চার দশকের এই কাগজ। সীমিত ক্ষমতার মধ্যে সেই দুঃসাহসকে সঙ্গী করেই প্রত্যেক বাধাকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে গিয়েছে বর্তমান। আজও প্রতিপক্ষ যখন এরাজ্যে ক্ষমতা বদলের সম্পূর্ণ ভ্রান্ত পূর্বাভাস দিয়ে বাজার গরম করে, আমরা তখন সেই ভুল ভেঙে সঠিক খবরটা পাঠকের ঘরে পৌঁছে দিই। এগারোর পালাবদল থেকে একুশের বিধানসভা ও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তা প্রমাণিত। বর্তমানের এই সোজাসাপ্টা ফর্মুলায় ঘায়েলও হয়েছে অনেক আকাশ-বাতাস কাঁপানো বড় কাগজ।
প্রথম থেকেই পুঁজি একবারে সাদামাটা জীবনযাপন, বুকভর্তি সাহস এবং যেটা করছেন সেটাকেই একমাত্র ধ্যানজ্ঞান করে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্কল্প। সঙ্গে খবরের নাক ও নির্ভুল পলিটিক্যাল রিডিং। বরুণবাবু বারবার বলতেন, খবরের ভাষা হবে সোজা সরল। সজোরে নির্মম সত্যকে তুলে ধরার আশ্চর্য মুন্সিয়ানা। নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে প্রতিযোগী যে বিশেষ সুবিধা করতে পারে না, তা বারবার দেখিয়েছেন তিনি। যাদের নামে বাঘে-গোরুতে একঘাটে জল খেত সেই সিপিএমের চোখে চোখ রেখে ক্রমাগত খবরের গোলাবর্ষণ চালিয়ে গিয়েছে তাঁর কলম। শেষ জীবনে অসুস্থ শরীরেও ‘খুদে বুশ’ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেবকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে কাঁপেনি তাঁর হাত। আজও সেই ধারা অটুট রেখে মাথা উঁচু করে খবর পরিবেশনে ‘বর্তমান’ একইরকম অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাঁর মৃত্যুর পরও সেই শপথ থেকে আমরা একচুলও সরিনি। একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনায় বর্তমান তার স্বাধীন ও স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রেখেছে। আগামীর চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য বর্তমানের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তৈরি।
মাত্র একটা মেশিন নিয়ে প্রথম সাত বছর গোটা বাংলায় কাগজ ছড়িয়ে দেওয়া ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ। কাকভোরে অফিসে ঢুকেই শুরু হতো ফোন করার পালা। সামনের টেবিলে পা তুলে দিয়ে শুরু করতেন ফোনালাপ। আমাদের জেলা ও দিল্লির রিপোর্টাররা যেমন সেই তালিকায় থাকতেন, তেমনই বাম-ডান হরেক কিসিমের রাজনৈতিক নেতা, বেওসায়ি, পুরনো সহকর্মী। প্রতিটি ফোন থেকেই খবর বেছে নিতে পারতেন আশ্চর্য দক্ষতায়। হাল্কা ভল্যুমে বাজত কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রবীন্দ্রসঙ্গীত। কখনও ‘তোমায় নতুন করে পাব বলে’ কিংবা ‘তুমি কিছু দিয়ে যাও’। এসব অনুষঙ্গের সঙ্গেই চলত রাজনীতির কুশীলবদের চুলচেরা মূল্যায়ন। পাঠকের কাছে অবাধে পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতার জন্যই দিল্লিতে ব্যুরো না খুলেই পুরোদস্তুর একটা বাংলা কাগজ চালু করার সাহস দেখাতে পেরেছিলেন তিনি। খামতি ঢাকতে সেই সময় দিল্লির রাজনীতি গরম হলেই নিজে ছুটে যেতেন রাজধানীতে খবর সংগ্রহে। শুধু খবরই বা বলি কেন। কতবার বিজ্ঞাপনের প্রয়োজনেও মুম্বইতে ছুটতে দেখেছি তাঁকে। অত ছোট বয়সে কাছ থেকে তাঁর কমিটমেন্ট ও ডেডিকেশন দেখে অভিভূত হয়েছি। শিখেছি।
বরুণবাবু কত বড় সাংবাদিক ছিলেন, তার মূল্যায়ন করার ক্ষমতা ও ধৃষ্টতা আমার নেই। কিন্তু কত বড় সংগঠক এবং তার চেয়েও কত সহানুভূতিশীল অভিভাবক ছিলেন, তার প্রচুর স্মৃতি রয়ে গিয়েছে সেই শুরুর দিনগুলির আনাচেকানাচে। নরমে গরমে উৎসাহ দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল। ভুল হলে বকতেন। কিন্তু রাগ পুষে রাখতেন না। একটু পরেই আবার অমায়িক হাসতে হাসতে কাছে ডেকে একেবারে পাশের মানুষটি হয়ে যেতেন। হাসপাতালে আমাদের কাউকে ভর্তি করতে হলে, ফোনে মন্ত্রীসান্ত্রীদের বলতেন, আমার এক সহকর্মীকে পাঠাচ্ছি। কোথাও মালিক বলে দাঁড়ি টেনে দিতেন না। তাঁর চলে যাওয়ার পরও সেই ধারা অব্যাহত।
আবার বলি, আমার বয়স এখন ৬১। একটা সফল বাঙালি প্রতিষ্ঠানের ৪১ বছরে পা দেওয়ার মুহূর্তে বর্তমানের জন্মদিনে একটা কথাই বারবার বুকে বাজছে—শুরুতে বাবা বলেছিলেন, ‘নতুন কাগজ। পারবি তো গোটা জীবনটা কাটাতে?’ আমরা কিন্তু অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। বাবা চলে গিয়েছেন ৩৬ বছর। অস্ফুটে বলতে ইচ্ছে করছে, দেখ বাবা, বর্তমানেই এখনও কাজ করছি। ৪১ বছরে একবারও বেতন পেতে দেরি হয়নি। মাথাও উঁচুই আছে। জোড়া গির্জার অফিস থেকে শুরু করে আজ বর্ধমান, পাঁশকুড়া, শিলিগুড়ি এবং করুণাময়ী ও ইএম বাইপাস, পাঁচ জায়গা থেকে ছাপা হচ্ছে বর্তমান। লড়াই চলছে আজও। শুরুর সময়ে ছিল শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। আর আজ বিভাজন, মেরুকরণের বিপক্ষে। বরুণবাবু প্রয়াত হয়েছেন ১৬ বছর ৬ মাস। বর্তমানকে এক মুহূর্তের জন্য পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সঙ্কট এসেছে। করোনা অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু সাহস আর তাঁর মাথা উঁচু করে চলার মন্ত্র আমাদের যাবতীয় না পারা ও অক্ষমতাকে ঢেকে দিয়েছে। একটাই বাক্য সাহস জুগিয়ে চলেছে আজও, আমরা বরুণ সেনগুপ্তের ‘বর্তমান’ কাগজে কাজ করি। ওটাই আমাদের গৌরব এবং নির্ভয়ে এগিয়ে চলার শক্তি। এই মন্ত্রেই আপাতত অর্ধশতাব্দীর মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় ‘বর্তমান’। এই সফল যাত্রায় আজকের প্রজন্ম আরও সঙ্ঘবদ্ধ ও অকুতোভয়।
প্রথম থেকেই পুঁজি একবারে সাদামাটা জীবনযাপন, বুকভর্তি সাহস এবং যেটা করছেন সেটাকেই একমাত্র ধ্যানজ্ঞান করে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্কল্প। সঙ্গে খবরের নাক ও নির্ভুল পলিটিক্যাল রিডিং। বরুণবাবু বারবার বলতেন, খবরের ভাষা হবে সোজা সরল। সজোরে নির্মম সত্যকে তুলে ধরার আশ্চর্য মুন্সিয়ানা। নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে প্রতিযোগী যে বিশেষ সুবিধা করতে পারে না, তা বারবার দেখিয়েছেন তিনি। যাদের নামে বাঘে-গোরুতে একঘাটে জল খেত সেই সিপিএমের চোখে চোখ রেখে ক্রমাগত খবরের গোলাবর্ষণ চালিয়ে গিয়েছে তাঁর কলম। শেষ জীবনে অসুস্থ শরীরেও ‘খুদে বুশ’ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেবকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে কাঁপেনি তাঁর হাত। আজও সেই ধারা অটুট রেখে মাথা উঁচু করে খবর পরিবেশনে ‘বর্তমান’ একইরকম অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাঁর মৃত্যুর পরও সেই শপথ থেকে আমরা একচুলও সরিনি। একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনায় বর্তমান তার স্বাধীন ও স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রেখেছে। আগামীর চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য বর্তমানের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তৈরি।
মাত্র একটা মেশিন নিয়ে প্রথম সাত বছর গোটা বাংলায় কাগজ ছড়িয়ে দেওয়া ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ। কাকভোরে অফিসে ঢুকেই শুরু হতো ফোন করার পালা। সামনের টেবিলে পা তুলে দিয়ে শুরু করতেন ফোনালাপ। আমাদের জেলা ও দিল্লির রিপোর্টাররা যেমন সেই তালিকায় থাকতেন, তেমনই বাম-ডান হরেক কিসিমের রাজনৈতিক নেতা, বেওসায়ি, পুরনো সহকর্মী। প্রতিটি ফোন থেকেই খবর বেছে নিতে পারতেন আশ্চর্য দক্ষতায়। হাল্কা ভল্যুমে বাজত কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রবীন্দ্রসঙ্গীত। কখনও ‘তোমায় নতুন করে পাব বলে’ কিংবা ‘তুমি কিছু দিয়ে যাও’। এসব অনুষঙ্গের সঙ্গেই চলত রাজনীতির কুশীলবদের চুলচেরা মূল্যায়ন। পাঠকের কাছে অবাধে পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতার জন্যই দিল্লিতে ব্যুরো না খুলেই পুরোদস্তুর একটা বাংলা কাগজ চালু করার সাহস দেখাতে পেরেছিলেন তিনি। খামতি ঢাকতে সেই সময় দিল্লির রাজনীতি গরম হলেই নিজে ছুটে যেতেন রাজধানীতে খবর সংগ্রহে। শুধু খবরই বা বলি কেন। কতবার বিজ্ঞাপনের প্রয়োজনেও মুম্বইতে ছুটতে দেখেছি তাঁকে। অত ছোট বয়সে কাছ থেকে তাঁর কমিটমেন্ট ও ডেডিকেশন দেখে অভিভূত হয়েছি। শিখেছি।
বরুণবাবু কত বড় সাংবাদিক ছিলেন, তার মূল্যায়ন করার ক্ষমতা ও ধৃষ্টতা আমার নেই। কিন্তু কত বড় সংগঠক এবং তার চেয়েও কত সহানুভূতিশীল অভিভাবক ছিলেন, তার প্রচুর স্মৃতি রয়ে গিয়েছে সেই শুরুর দিনগুলির আনাচেকানাচে। নরমে গরমে উৎসাহ দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল। ভুল হলে বকতেন। কিন্তু রাগ পুষে রাখতেন না। একটু পরেই আবার অমায়িক হাসতে হাসতে কাছে ডেকে একেবারে পাশের মানুষটি হয়ে যেতেন। হাসপাতালে আমাদের কাউকে ভর্তি করতে হলে, ফোনে মন্ত্রীসান্ত্রীদের বলতেন, আমার এক সহকর্মীকে পাঠাচ্ছি। কোথাও মালিক বলে দাঁড়ি টেনে দিতেন না। তাঁর চলে যাওয়ার পরও সেই ধারা অব্যাহত।
আবার বলি, আমার বয়স এখন ৬১। একটা সফল বাঙালি প্রতিষ্ঠানের ৪১ বছরে পা দেওয়ার মুহূর্তে বর্তমানের জন্মদিনে একটা কথাই বারবার বুকে বাজছে—শুরুতে বাবা বলেছিলেন, ‘নতুন কাগজ। পারবি তো গোটা জীবনটা কাটাতে?’ আমরা কিন্তু অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। বাবা চলে গিয়েছেন ৩৬ বছর। অস্ফুটে বলতে ইচ্ছে করছে, দেখ বাবা, বর্তমানেই এখনও কাজ করছি। ৪১ বছরে একবারও বেতন পেতে দেরি হয়নি। মাথাও উঁচুই আছে। জোড়া গির্জার অফিস থেকে শুরু করে আজ বর্ধমান, পাঁশকুড়া, শিলিগুড়ি এবং করুণাময়ী ও ইএম বাইপাস, পাঁচ জায়গা থেকে ছাপা হচ্ছে বর্তমান। লড়াই চলছে আজও। শুরুর সময়ে ছিল শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। আর আজ বিভাজন, মেরুকরণের বিপক্ষে। বরুণবাবু প্রয়াত হয়েছেন ১৬ বছর ৬ মাস। বর্তমানকে এক মুহূর্তের জন্য পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সঙ্কট এসেছে। করোনা অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু সাহস আর তাঁর মাথা উঁচু করে চলার মন্ত্র আমাদের যাবতীয় না পারা ও অক্ষমতাকে ঢেকে দিয়েছে। একটাই বাক্য সাহস জুগিয়ে চলেছে আজও, আমরা বরুণ সেনগুপ্তের ‘বর্তমান’ কাগজে কাজ করি। ওটাই আমাদের গৌরব এবং নির্ভয়ে এগিয়ে চলার শক্তি। এই মন্ত্রেই আপাতত অর্ধশতাব্দীর মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় ‘বর্তমান’। এই সফল যাত্রায় আজকের প্রজন্ম আরও সঙ্ঘবদ্ধ ও অকুতোভয়।



