নরওয়ে-৩ : সেনেগাল-২
নরওয়ে-৩ : সেনেগাল-২
নিউ জার্সি: রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই গোলপোস্টের সামনে বসে পড়লেন হালান্ড, সরলোথরা। সবার মুখ গ্যালারির দিকে। সামনে লাল ড্রামে ‘ঝড়’ তুলছেন মার্টিন ওডেগার্ড। আর তালে তালে গ্যালারির ফ্যানদের সঙ্গে নরওয়ের ঐতিহ্যশালী ‘ভাইকিং রো’ সেলিব্রেশন মাতলেন হালান্ডরাও। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপ মঞ্চে প্রত্যাবর্তন করেছে নরওয়ে। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নক-আউটে যোগ্যতা অর্জনের সেলিব্রেশনটা তো এমনই হওয়া উচিত। সোমবার নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে নরওয়ে। জোড়া গোলে ম্যাচের নায়ক আর্লিং হালান্ড। অপর গোলদাতা পেডারসেন। পক্ষান্তরে, ইসমাইল সারের জোড়া গোলের পরও বেদনায় ডুবল সেনেগাল।
অস্বীকারের উপায় নেই, নরওয়ে এবারের বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’। কারণ, তাদের দলে রয়েছে আর্লিং হালান্ডের মতো গোলমেশিন। ২ ম্যাচে ৪বার জাল কাঁপিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি, এমবাপেকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন তিনি। নরওয়েকে ৪৩ মিনিটে লিড অবশ্য এনে দিয়েছিলেন পেডারসেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দশ মিনিটের স্পেলে সেনেগালকে ছারখার করে দিলেন হালান্ড। ৪৮ মিনিটে ওডেগার্ডের ডিফেন্স চেরা পাস ধরে লক্ষ্যভেদ তারকা স্ট্রাইকারের। এরপর ৫৮ মিনিটে ফের জাল কাঁপালেন তিনি। তার মিনিট পাঁচ আগে অবশ্য সেনেগালের ব্যবধান কমিয়েছিলেন সার। তবে স্কোরলাইন ৩-১ হয়ে যাওয়ার পর দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে যায়। তবুও লড়াই ছাড়েননি সাদিও মানেরা। সংযোজিত সময়ে সার আরও একটি গোল করে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন। তবে বাকি সময়ে আর স্কোরলাইনের পরিবর্তন হয়নি।