Bartaman Logo
২৬ জুন, ২০২৬

হিংসা নয় শুধুই বিকাশ, বঙ্গজয়ের পর ‘গ্যারান্টি’ প্রধানমন্ত্রী মোদির

‘মোদি কি গ্যারান্টি’। ভোটপর্বে একাধিকবার এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিনও বাংলার জন্য সেই একই ‘লবজ’ বেঁধে দিলেন নরেন্দ্র মোদি।

হিংসা নয় শুধুই বিকাশ, বঙ্গজয়ের পর ‘গ্যারান্টি’ প্রধানমন্ত্রী মোদির
  • ৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘মোদি কি গ্যারান্টি’। ভোটপর্বে একাধিকবার এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিনও বাংলার জন্য সেই একই ‘লবজ’ বেঁধে দিলেন নরেন্দ্র মোদি। একইসঙ্গে ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের ‘সিদ্ধান্ত’ও। সোমবার বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘রাজ্যের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত যোজনা প্রকল্পে অনুমোদন দেবে বিজেপি সরকার। বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি দিনরাত এক করবে। মহিলারা অনেক বেশি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা পাবেন। যুবকরা কাজ পাবেন। তাঁদের আর কাজের খোঁজে অন্যত্র যেতে হবে না। সবথেকে বড়ো কথা, বাংলায় এবার অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে। মোদি কি গ্যারান্টি।’ 

Advertisement

ধুতির কোঁচা পাঞ্জাবির পকেটে গুঁজে সম্পূর্ণ বাঙালিবাবু সেজে এদিন সন্ধ্যায় পার্টি অফিসে আসেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় কর্মী, সমর্থকদের উদ্দেশে তাঁর ভাষণের একটি বড়ো অংশেই ছিল বাংলা। তিনি বলেন, ‘বাংলায় নতুন সূর্যোদয় হয়েছে। এই সকালের জন্য বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা এতদিনে শান্তি পেল। এটা ভেবেই ভালো লাগছে। অঙ্গ, কলিঙ্গের পর এবার বঙ্গজয় সম্ভব হয়েছে বাংলার মানুষের জন্যই। কারণ তাঁরাই রেকর্ড ভোটদান করেছেন এবারের নির্বাচনে। ইতিহাস গড়েছেন বাংলার মানুষ।’ 
‘ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রজি’ এবং ‘যোগী অরবিন্দজি’কে শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। এখন আর ভয়ের পরিবেশ নেই। বদলা নয়। আমরা বদলের কথাই বলব। ভয় নয়, বরং ভবিষ্যতের কথাই বলব। কে কাকে ভোট দিয়েছে, কে কাকে ভোট দেয়নি—এসবের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। আগে নির্বাচনের সময় বিভিন্ন হিংসামূলক খবর আসত। এবার শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। ভয় নয়। আর হিংসা নয়। গণতন্ত্র জিতেছে।’ তৃণমূল, কংগ্রেস, ডিএমকের সমালোচনা করে সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘যারা মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করেছিল, তারাই শাস্তি পেয়েছে। আগামী দিনে কেরলের মা-বোনেরা একইভাবে কংগ্রেসকেও শাস্তি দেবে। যেসব দল ক্ষমতা থেকে সরে গিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই বিভাজনের রাজনীতি করেছে। কখনও খাবারের ভিত্তিতে, কখনও আবার ভাষার ভিত্তিতে।’ এপ্রসঙ্গেই সোমবার প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, কেরল এবং বাংলায় মহিলারা সবথেকে বেশি অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। মোদি বলেন, ‘বহুদিনের পরিশ্রম যখন সফল হয়, তখনই খুশি বাঁধ মানে না। বিজেপি কর্মীদের চোখে মুখে সেই হাসির আভাসই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ