নয়াদিল্লি, ১৬ জুন: এবার ওষুধের দোকানে যেকোনো সিরাপ কিনতে গেলেই লাগবে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন। মঙ্গলবার একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনটাই সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই নির্দেশ অনুযায়ী কাশির সিরাপও একই নিয়মের আওতায় পড়বে। অর্থাৎ, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থাকলে তবেই মিলবে সিরাপ।
নতুন সিদ্ধান্তে বাজারে সহজলভ্য ও শর্তহীনভাবে বিক্রি হওয়া ওষুধের তালিকা থেকে সিরাপকে একদমই বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়া যে কোনও ধরনের সিরাপ কেনা বেআইনি হিসেবে গণ্য হবে। ‘ড্রাগস (পঞ্চম সংশোধন) নিয়ম, ২০২৬’-এর অধীনে আগে থেকেই এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, সরকারি গেজেটে প্রকাশের দিন থেকেই এটি সারা দেশে কার্যকর হবে। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকে নতুন নিয়ম পুরোপুরি চালু হয়েছে।
হঠাত্ এই সিন্ধান্ত কেন? কয়েক মাস আগে মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে কাশির ওষুধ খেয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই সাধারণভাবে ব্যবহৃত তরল ওষুধের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয় এবং কড়া নজরদারির দাবি ওঠে। মধ্যপ্রদেশে অন্তত ২২ জন শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। এরই প্রেক্ষিতে ভারতে দুই বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য সব ধরনের কাশি ও সর্দি-কাশির ওষুধ নিষিদ্ধ করা হয়। এবার আরও কঠোর অবস্থান নিয়ে সব ধরনের কফ সিরাপের ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার ।