Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সংঘর্ষের জেরে ফের কারও উদ্বাস্তু হওয়া কাম্য নয়, মন্তব্য মহেশতলার বিধায়কের

গোষ্ঠী সংঘর্ষের যে কোনও ঘটনাতেই উভয়পক্ষ দায়ী থাকে। এমন মন্তব্য করলেন মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক দুলাল দাস।

সংঘর্ষের জেরে ফের কারও উদ্বাস্তু হওয়া কাম্য নয়, মন্তব্য মহেশতলার বিধায়কের
  • ১৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বজবজ: গোষ্ঠী সংঘর্ষের যে কোনও ঘটনাতেই উভয়পক্ষ দায়ী থাকে। এমন মন্তব্য করলেন মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক দুলাল দাস। পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর থানার পাশে শিবমন্দির সংলগ্ন ফলের দোকানের ডালা সরানো এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে তাণ্ডবের জন্য উভয়পক্ষের নিন্দাও করলেন তিনি।

Advertisement

রবীন্দ্রনগরে মেটিয়াবুরুজ ২ ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও উপহার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বিধায়ক বলেন, আমি যখন ছোট, সেই সময় মানুষের ভিতর এই হানাহানির কারণে ভিটেচ্যুত হয়েছি। ওপার বাংলা থেকে উদ্বাস্তু হয়ে এপারে আসতে হয়েছিল। তাই চাই না এইভাবে হানাহানির জেরে ফের আমাদের কাউকে আরও একবার উদ্বাস্ত হতে হয়। অন্যদিকে, রবীন্দ্রনগর থানায় যোগ দিয়ে নতুন আইসি বলেন, এ ধরনের ঘটনা একেবারে বরদাস্ত করা হবে না। আইন অনুসারে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সেইমতো প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
ওই অনুষ্ঠানে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের হাতে শংসাপত্র, মোবাইল এবং ট্রলি ব্যাগ তুলে দেওয়ার ফাঁকে দুলালবাবু বলেন, খুব দুঃখজনক একটি ঘটনা সম্প্রতি ঘটে গিয়েছে রবীন্দ্রনগর থানার পাশে। এটা মোটেই কাঙ্খিত ছিল না। একদল লোক মন্দিরের সামনে থেকে এক ফল বিক্রেতার ডালা সরিয়ে দিল। এমন কোনও ঘটনাকে কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না। অন্যদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদের নামে আরও একটি দল রবীন্দ্রনগর থানার আকড়া, সন্তোষপুর জুড়ে যেভাবে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালাল, তা আরও ভয়ঙ্কর। এই ধরণের অমানবিক কাজের নিন্দা করি। এমন ঘটনার প্রতিরোধে সকলের উচিত একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ানো।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ