Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাজারে দামই নেই, মাথায় হাত নদীয়ার পটল চাষিদের

নদিয়ার পটল চাষিরা কম দামে পটল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। সংরক্ষণের অভাবে ক্ষতির মুখে। বিস্তারিত পড়ুন।

বাজারে দামই নেই, মাথায়  হাত নদীয়ার পটল চাষিদের
  • ১৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট: বর্তমানে পটলের দাম কমে তলানিতে ঠেকেছে। খুচরো বাজারে কেজি প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে পটল বিক্রি হলেও চাষিরা প্রতি কেজি চার থেকে পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। পচনশীল পণ্য হওয়ায় ক্ষতির বোঝা মাথায় নিয়েই পটল বিক্রি করতে হচ্ছে নদীয়ার চাষিদের। 

Advertisement

নদিয়ার তেহট্ট-১, করিমপুর-১ ও ২ ব্লকের কাঁঠালিয়া মহিষবাথার নাজিরপুর কিশোরপুর গড়াইমারী উন্নতমানের পটলচাষের জন্য সুপ্রসিদ্ধ। এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পটলের হাট হয়। সেই হাট থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ টাকা কেজি দরে পটল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। সেই পটল খুচরো বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা কেজি দরে। চাষিদের বক্তব্য, সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় এই অবস্থা। পটল চাষিরা বলেন, পটল বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। সংরক্ষণের স্থায়ী উপায় না থাকায় খেত থেকে পটল  তোলার পর কম দামেই তা হাটে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে। মহকুমা এলাকায় উন্নতমানের সংরক্ষণ হিমঘর থাকলে বর্তমানে পটল মজুদ করে চাহিদার সময়টা বিক্রি করলে অধিক মুনাফা পেত চাষিরা। পটলচাষি অনিল ঘোষ বলেন,  পটল সংরক্ষণের সুবিধা থাকলে অসময় বিক্রি করে বাড়তি কিছু লাভ হত। এখন যে দর, তাতে বিক্রি করে খরচ তোলাই দায়। যদি আমরা মাঠ থেকে পটল তুলে এনে হাটে বিক্রি না করি, তাহলে সব পটল বাড়িতে নষ্ট হবে। বাধ্য হয়ে আমরা ক্ষতি হবে জেনেও পটল বিক্রি করছি। এখানে যদি একটা হিমঘর থাকত তাহলে এই ক্ষতি আমাদের হত না।
তিনি আরও বলেন, মহকুমায় কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে পটল চাষ হয়। পাট, কলার পর এই পটল আর্থিক দিক থেকে চাষিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে চাষিদের এই হাল হলে কী করে তাঁদের সংসার চালাবে। জয়দেব বিশ্বাস নামে এক চাষি বলেন, এক বিঘা পটল চাষ করতে পরিশ্রম করতে হয়। এক বিঘা পটল চাষে যে খরচ হয়, তাতে বর্তমান দামে বিক্রি করে ক্ষতি হচ্ছে। ফাইল ছবি

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ