Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আপাতত ভারী বৃষ্টি নয়, থাকছে বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে

গত কয়েকদিন ধরে যে ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির মাত্রা অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল রবিবার সেটি ঝাড়খণ্ডের উপরে সরে গিয়ে দুর্বল হতে শুরু করেছে।

আপাতত ভারী বৃষ্টি নয়, থাকছে বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরে যে ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির মাত্রা অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল রবিবার সেটি ঝাড়খণ্ডের উপরে সরে গিয়ে দুর্বল হতে শুরু করেছে। শনিবার থেকে কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি কমতে শুরু করেছিল। রবিবার বৃষ্টি আরও কমেছে। পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূল লাগোয়া উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। কিন্তু এই নিম্নচাপটির প্রভাব দক্ষিণবঙ্গের উপর বেশি পড়বে না বলে আপাতত আশা করছেন আবহাওয়াবিদরা। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর আপাতত আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের জন্য ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানান, নিম্নচাপের প্রভাব ওড়িশাতেই বেশি পড়বে বলে আপাতত মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর আগামী কয়েকদিনের জন্য যে পূর্বাভাস জারি করেছে, তাতে ওড়িশা ছাড়াও বিহার ও ঝাড়খণ্ডেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। সোম ও মঙ্গলবার ওড়িশায় অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। আবহাওয়া অধিকর্তা জানান, দক্ষিণবঙ্গের কোনও কোনও স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হলেও হতে পারে। সার্বিকভাবে আপাতত এখানে বেশি মাত্রায় বৃষ্টি হবে না বলে আশা করা যায়। 

Advertisement

তবে মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে চলবে। বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হওয়ার কারণে বজ্রপাতসহ বৃষ্টিও হতে পারে। উত্তরবঙ্গের হিমালয় লাগোয়া আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং জলপাইগুড়ি জেলাতে আগামী শনিবার পর্যন্ত একাধিক দিনে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে বেশি পরিমাণে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে বৃষ্টির মেঘ তৈরি করবে। 
দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমলেও বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা এখনও কাটেনি। গত কয়েকদিনের বেশি বৃষ্টিতে বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরসহ কয়েকটি জেলার 
অনেক জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন নদী ও বাঁধগুলিতে  জলস্তর বেড়েছে। ডিভিসি মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে সব মিলিয়ে রবিবার বিকেল পর্যন্ত ৫৫ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ছে। ঝাড়খণ্ডে বেশি পরিমাণে বৃষ্টির ফলে মাইথন-পাঞ্চেতসহ বিভিন্ন বাঁধ থেকে জল ছাড়া অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা আছে। বিহার এবং ওড়িশায় বেশি বৃষ্টি হলে তার প্রভাব এরাজ্যের উপর পড়বে।

সম্পর্কিত সংবাদ