Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আরামবাগের আরান্ডি ২ পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা সদস্যদের

আরামবাগের আরান্ডি ২ পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন সদস্যদের একাংশ। সেখানকার তৃণমূলের একাংশ ও বিজেপি সদস্যদের তরফেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

আরামবাগের আরান্ডি ২ পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা সদস্যদের
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আরামবাগের আরান্ডি ২ পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন সদস্যদের একাংশ। সেখানকার তৃণমূলের একাংশ ও বিজেপি সদস্যদের তরফেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে। সোমবার আরামবাগে বিডিও-র কাছে অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদন জানানো হয়। পঞ্চায়েতে প্রধান না আসায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলেও অনাস্থা আনা হয়েছে বলে দাবি সদস্যদের। 
আরামবাগের বিডিও সন্দীপ পাঠক বলেন, আরান্ডি ২ পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠি পেয়েছি । তাতে ১১ জন স্বাক্ষর করেছে। প্রশাসনিক নিয়ম মেনে পঞ্চায়েতে সভা ডাকা হবে। সেখানে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। 
জানা গিয়েছে, আরান্ডি ২ পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ১৮ টি। তারমধ্যে তৃণমূলের সদস্য রয়েছেন ১৪ জন। বিজেপির আসন চারটি। বিজেপির একজন সদস্য অবশ্য মারা গিয়েছেন। ফলে ওই পঞ্চায়েতে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠ রয়েছে। কিন্তু এখন তৃণমূলের সদস্যদের মধ্যেই আটজন প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন। বাকি বিজেপির তিনজন সদস্যও অনাস্থার পক্ষে সই করেছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। 
এই ব্যাপারে সেখানকার বিজেপি সদস্য বিশ্বজিৎ মালিক বলেন, প্রধান পঞ্চায়েতে আসছেন না। মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। কোনো প্রয়োজনীয় নথিতে সই করাতে প্রধানের বাড়িতে যেতে হচ্ছে। এরফলে স্বাভাবিক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। উন্নয়নেও বাধা হচ্ছে। তাই প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে। তাতে তৃণমূলের আট জন সদস্যও অনাস্থার পক্ষে সই করেছেন। 
তৃণমূলের সদস্য অনুপ সাঁতরা বলেন, প্রধান না আসায় পঞ্চায়েতে অচলাবস্থা হয়ে আছে। বর্তমানে কারো সঙ্গে যোগাযোগও হচ্ছে না। তাই অনাস্থা আনা হয়েছে। তবে নতুন প্রধান কে হবেন তা এখন বলা যাবে না। সময়ই বলবে। 
এই ব্যাপারে ওই পঞ্চায়েতের প্রধান সুফিয়া বেগম বলেন, অনাস্থার ব্যাপারে জানা নেই। তবে পঞ্চায়েতে নিয়মিতই যাচ্ছি। কাজকর্মও চলছে। আমার দলের সদস্যরা যদি চলে যান সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এখানে আমার বাধা দেওয়ার কোনো ব্যাপার নেই। আমাদের দলও নিশ্চয় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হবে।  সিপিএমের হুগলি জেলা কমিটির সদস্য পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলই এক। তাই একে অপরকে সমর্থন করে অনাস্থা এনেছে। এটা নতুন কিছু নয়। উল্লেখ্য, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আরামবাগ মহকুমার একাধিক পঞ্চায়েতে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতগুলিতে বিজেপি সদস্যরাই প্রধান হয়েছেন।

Advertisement

 

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ