সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বুধবার সকালে নলহাটিতে বাড়ি থেকে এক নার্সের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম শিউলি সরকার(২৪)। বাড়ি নলহাটি থানার বরলা গ্রামে। ছ’মাস আগে তিনি চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে নলহাটির দেবগ্রাম স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কমিউনিটি হেলথ অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। এদিন সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় পরিবারের লোকজন তাঁকে ডাকাডাকি শুরু করেন। দরজা ভিতর থেকে লক করা ছিল। পরে কোনওরকমে দরজা খুলে সিলিং ফ্যানের হুকে গলায় ওড়না জড়িয়ে শিউলিকে ঝুলতে দেখা যায়। তড়িঘড়ি তাঁকে নামিয়ে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
Advertisement
পরিবারের একমাত্র সন্তানের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা, মা ও মৃতার আত্মীয়স্বজনরা। পেশায় চাষি বাবা সুশান্ত সরকার বলেন, পাশের ধরমপুর গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের তিন বছর ধরে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। ওরা বিয়ে করবে বলে ঠিক করায় আমরা কিছু বলিনি। মঙ্গলবার খাওয়াদাওয়া করার পর রাত সাড়ে ১০টার সময় মেয়ের ঘরে আলো জ্বলছিল। অফিসের খাতা সেরে একটু পরে ঘুমিয়ে পড়বে বলে জানিয়েছিল। সেইমতো আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে উঠে দেখি এই অবস্থা। তিনি বলেন, ওই যুবকের সঙ্গে ফোনে নিশ্চয়ই এমন কোনও কথা হয়েছে যা মেয়েকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। মেয়ের মোবাইলের লক খুলে তদন্ত করলেই সেটা স্পষ্ট হবে। ওই যুবকের নামে থানায় অভিযোগ করব।
পাইকরের কনকপুর গ্রামে এক যুবতীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম ইয়াসমিন খাতুন(২৫)। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে কীটনাশক খাওয়া অবস্থায় রামপুরহাট মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। রাতের দিকে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার দাদা আব্দুল মান্নান বলেন, মুরারইয়ের সন্তোষপুরের এক যুবকের সঙ্গে এক বছর ধরে বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক বোনকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেলামেশা করে। মঙ্গলবার বিকেলে ওই যুবক ও বোন বাড়ি লাগোয়া মাঠে বসে গল্প করছিল। সে বোনের মোবাইলে থাকা তাদের সমস্ত ছবি ডিলিট করে। পরে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এরপরই ওই যুবক পালিয়ে যায়। এরপরও বোনকে কীটনাশক খাওয়া অবস্থায় মাঠ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। দু’টি ঘটনাতেই কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় পুলিস অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
পাইকরের কনকপুর গ্রামে এক যুবতীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম ইয়াসমিন খাতুন(২৫)। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে কীটনাশক খাওয়া অবস্থায় রামপুরহাট মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। রাতের দিকে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার দাদা আব্দুল মান্নান বলেন, মুরারইয়ের সন্তোষপুরের এক যুবকের সঙ্গে এক বছর ধরে বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক বোনকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেলামেশা করে। মঙ্গলবার বিকেলে ওই যুবক ও বোন বাড়ি লাগোয়া মাঠে বসে গল্প করছিল। সে বোনের মোবাইলে থাকা তাদের সমস্ত ছবি ডিলিট করে। পরে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এরপরই ওই যুবক পালিয়ে যায়। এরপরও বোনকে কীটনাশক খাওয়া অবস্থায় মাঠ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। দু’টি ঘটনাতেই কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় পুলিস অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।



