নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নৈহাটি বিধানসভা উপ নির্বাচন নিয়ে উত্তাপ বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনের নথি অনুযায়ী, মোট ৯ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে লড়াই করছেন। বিজেপি প্রার্থীর নাম রূপক মিত্র। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, রূপক মিত্র নামে আরও এক ব্যক্তি নির্দল হিসেবে এখানে দাঁড়িয়েছেন। আর তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে নৈহাটিজুড়ে। এক নামের দুই প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিলের পিছনে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে? নাকি ঘটনা একেবারেই কাকতালীয়? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে নৈহাটির ভোট-বাজারে।
Advertisement
আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের আরও পাঁচটি বিধানসভার সঙ্গে নৈহাটিতেও উপ নির্বাচন। তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিআই (এমএল) ছাড়াও ৪ জন নির্দল প্রার্থী এই নির্বাচনে লড়ছেন। পাশাপাশি, ভারতীয় ন্যায় অধিকার রক্ষা পার্টি প্রার্থী দিয়েছে। বিজেপির প্রার্থীর সঙ্গে সমনামের নির্দল প্রার্থী রূপক মিত্র। তাঁর প্রতীক চিহ্ন কী? রূপকবাবুকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘উপহারের বাক্স’। তিনি জানিয়েছেন, এর আগে তিনি কখনও ভোটে দাঁড়াননি। তবে একটা ইচ্ছে তাঁর ছিল। বাসুদেবপুর থানা এলাকার ওই বাসিন্দা বলেন, তিনি দিনমজুরের কাজ করেন। কোনও ফৌজদারি মামলা তাঁর বিরুদ্ধে নেই। একেবারেই ব্যক্তিগত শখ থেকেই তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু নির্বাচনী প্রতীক ‘উপহারের বাক্স’ কেন? কাউকে কি কিছু উপহার দিতে চান তিনি? রূপকবাবু বলেন,
ভোটের পরই সেই উপহার দেবেন তিনি। ইভিএমে প্রার্থীদের তালিকায় একই নাম থাকায় কি কিছুটা চাপে বিজেপি প্রার্থী? স্থানীয়দের বক্তব্য, লোকজন ভোট দিতে গিয়ে হয়তো একটু হলেও সংশয়ে পড়বেন। কিন্তু নির্বাচনী প্রতীক তো আলাদা। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য বিজেপি প্রার্থীকে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু দু’বার ফোন ধরলেও কোনও কথা না শুনে তিনি বলেন, ‘আমি জনসভায় রয়েছি। এখন কথা বলা মুশকিল।’ এটুকু বলেই ফোন রেখে দেন তিনি।
ভোটের পরই সেই উপহার দেবেন তিনি। ইভিএমে প্রার্থীদের তালিকায় একই নাম থাকায় কি কিছুটা চাপে বিজেপি প্রার্থী? স্থানীয়দের বক্তব্য, লোকজন ভোট দিতে গিয়ে হয়তো একটু হলেও সংশয়ে পড়বেন। কিন্তু নির্বাচনী প্রতীক তো আলাদা। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য বিজেপি প্রার্থীকে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু দু’বার ফোন ধরলেও কোনও কথা না শুনে তিনি বলেন, ‘আমি জনসভায় রয়েছি। এখন কথা বলা মুশকিল।’ এটুকু বলেই ফোন রেখে দেন তিনি।



