


কলম্বো: সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছে নিউজিল্যান্ডের। শ্রীলঙ্কা আবার প্রথম ম্যাচে হেরেছে। সেমি-ফাইনালের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করতে উভয় দলেরই প্রয়োজন জয়। প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে বুধবারের নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ কার্যত হয়ে উঠছে মরণ-বাঁচনের লড়াই। পরাজয় মানে সেই দলের সুপার এইটেই বিদায় নিশ্চিত।
পাল্লেকেলেতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৪৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৯৫ রানে থেমে যায় তারা। মন্থর গতির পিচে শট বাছাই নিয়ে প্রশ্নের মুখে অন্যতম আয়োজক দেশের ব্যাটাররা। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ে ফেরাই লক্ষ্য শ্রীলঙ্কার। তবে প্রেমদাসার বাইশ গজেও বল পড়ে দেরিতে আসছে। ফলে শট নেওয়া কঠিন হয়ে উঠছে।
শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বাধিক ২০৮ রান এসেছে ওপেনার পাঠুম নিশাঙ্কার ব্যাটে। একটি শতরানও করেছেন তিনি। কুসল মেন্ডিস, পবন রত্নায়েকেও রয়েছেন রানের মধ্যে। বোলিংয়ে ভরসা স্পিনাররা। মাহিশ থিকশানা, দুনিথ ওয়েলালাগেরা উইকেট নিচ্ছেন। দাসুন শানাকার দলে ভারসাম্যের অভাব নেই। তবে লেগস্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও পেসার মাথিশা পাথিরানার ছিটকে যাওয়া বড় ধাক্কা শ্রীলঙ্কার কাছে ।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের মধ্যে টিম সেফার্ট (১৭৩), ফিন অ্যালেন (১৩৭), গ্লেন ফিলিপসরা (১১৯) ভরসা জোগাচ্ছেন শিবিরে। মিডল অর্ডারে আছেন ড্যারিল মিচেল, মার্ক চ্যাপম্যানরা। পেস বোলিংয়ে ভরসা দিচ্ছেন ম্যাট হেনরি, লকি ফার্গুসন, জেকব ডাফিরা রয়েছেন। মিচেল স্যান্টনারের দলে আছেন বেশ কয়েকজন অলরাউন্ডার। তার মধ্যে রাচীন রবীন্দ্র, জেমস নিশামরা উল্লেখযোগ্য। ক্যাপ্টেন স্যান্টনার বলেছেন, ‘আমাদের কাছে প্রত্যেকটা ম্যাচই নক-আউট। শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য। আমরা উজাড় করে দেব জেতার জন্য।’
খেলা শুরু সন্ধ্যা ৭টায়। সম্প্রচার স্টার স্পোর্টস ও জিওহটস্টারে।