


নয়াদিল্লি: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্ণবৈষম্য রোধে নয়া ইউজিসি বিধি চালু করার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন। তা নিয়েই শুক্রবার উত্তেজনা ছড়াল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সংঘর্ষে জড়ায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) পড়ুয়ারা। এক মহিলা ইউটিউবারকেও ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। যদিও পুরো ঘটনায় একে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছে এবিভিপি ও আইসা।
এই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। দেখা গিয়েছে, বহু পড়ুয়া জড়ো হয়েছে। ছাত্রদের একাংশ ওই মহিলা ইউটিউবারকে ঘিরে ধরে একের পর এক স্লোগান দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, সেইসময় পড়ুয়াদের একাংশ তাঁর উপর চড়াও হয়। এই ঘটনায় দায় আইসার উপর চাপিয়েছে এবিভিপি। সংগঠনের দিল্লি প্রদেশ সচিব সার্থক শর্মার বক্তব্য, ‘শুক্রবার দুপুর দু’টোর দিকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগে একজন মহিলাকে মারধর ও হেনস্তা করা হল। ক্যাম্পাসের মধ্যে ডাফলি বাজিয়ে মহিলা নিরাপত্তার কথা বলা লোকজনের আসল চেহারা সামনে এসেছে। এই ঘটনা আরও একবার বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের হিংস্র চেহারা তুলে ধরেছে। ধীরে ধীরে ওদের প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে। তাই প্রচারে থাকতেই এইসব করছে। পালটা আক্রমণ শানিয়েছে আইসা। তাদের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালীন ইচ্ছাকৃতভাবে সংগঠনের লোকজনকে টার্গেট করা হয়েছিল। ‘ডানপন্থী গুন্ডারা’ ওই ইউটিউবারের উপর হামলা চালিয়েছে। দিল্লি পুলিশ ও সিআরপিএফের উপস্থিতিতেই তারা মারধর করছিল। আসলে ইউজিসি ইক্যুইটি রেগুলেশনস নিয়ে আন্দোলন হতেই ওরা ভয় পেয়েছে।