Bartaman Logo
৯ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পঞ্চায়েতে ১১ হাজার নিয়োগে নয়া রুল

পঞ্চায়েতে ১১ হাজার শূন্যপদ পূরণের জন্য নতুন নিয়োগ রুল আনার ঘোষণা। সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ। বিস্তারিত পড়ুন।

পঞ্চায়েতে ১১ হাজার নিয়োগে নয়া রুল
  • ৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পঞ্চায়েতের ১১ হাজার শূন্যপদ পূরণ করতে নিয়োগ সংক্রান্ত রুলে বদল আনছে রাজ্য। বর্তমান বিধি অনুযায়ী, পঞ্চায়েতে নিয়োগ করে ডিস্ট্রিক্ট লেভেল সিলেকশন কমিটি (ডিএলএসসি)। তবে বিজেপি সরকার ঘোষণা করেছে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ এমন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করা হবে, যা হবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপমুক্ত। তারা ইউপিএসসির মতো নিরপেক্ষ মানদণ্ড অনুসরণ করবে। সেই সূত্রে এবার সংশ্লিষ্ট রুলে বদল এনে পাকাপাকিভাবে ইউপিএসসির মতো কোনো সংস্থাকে দিয়ে নিয়োগ করতে চাইছে রাজ্য। সেক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস কমিশনকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন। কীভাবে কোনোরকম অনিয়ম এড়িয়ে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা যায়, সেটা আমরা দেখছি।’ প্রসঙ্গত, বাজেট অধিবেশনে নিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেছিলেন, ‘সরকারি চাকরি শুধুমাত্র যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ইউপিএসসির মতো বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানের মানে উন্নীত করা হবে।’ 

Advertisement

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডিএলএসসি গঠন করা হয়। এটি কোনো স্থায়ী সাংবিধানিক সংস্থা নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়োগ বিধি বা সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট নিয়োগের জন্য গঠিত হয় একটি কমিটি। পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য-রাজনীতি। তা নিয়ে নির্বাচনি প্রচারে তৎকালীন শাসক দলকে কাঠগড়ায় তুলেছিল বর্তমান শাসক বিজেপি। এই প্রেক্ষাপটে সরকার গঠনের পর এ বিষয়ে সুচিন্তিত পদক্ষেপ করতে চাইছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। 
এ রাজ্যে শুধুমাত্র পঞ্চায়েত দপ্তরেই ১১ হাজার শূন্যপদ রয়েছে। এই ঘোষণার পরই পঞ্চায়েত দপ্তরের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দিষ্ট পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করার হার অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে বলে খবর। তাই নয়া রুল আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিয়োগের কাজ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে দ্রুত তুলে দিতে চাইছে দপ্তর। সূত্রের খবর, নিয়োগের ক্ষেত্রে ডিএলএসসি শব্দটি সরিয়ে আনা হবে ‘ইউপিএসসি লাইক অর্গানাইজেশন’ শব্দগুলি। এই সামান্য পরিবর্তনের প্রশাসনিক গুরুত্ব কিন্তু অসীম! ইতিমধ্যে নয়া রুলের ব্যাপারে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র মন্ত্রিসভার ছাড়পত্র নিলেই চলবে না। বিধানসভায় পেশ করতে হবে বিষয়টি। সেই মতো তৎপরতা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক স্তরে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ