সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: দক্ষিণবঙ্গে একটানা বৃষ্টির পাশাপাশি হুগলি নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকারণে উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জগদীশপুরে নদী বাঁধে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন রোধে সেচদপ্তরের পাতা ইটের ম্যাট্রেসের কিছুটা অংশ বসে গিয়েছে। এতেই নতুন করে আতঙ্ক গ্রাস করেছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের। সেচদপ্তর সূত্রে খবর, আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। বর্ষার পরেই এই জায়গা মেরামত করা হবে। উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জগদীশপুর এলাকা ভাঙনপ্রবণ বলে চিহ্নিত। বছর চারেক আগে নদী ভাঙনের ফলে প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ ভেঙে নদী গর্ভে চলে যায়। ভাঙন রোধে সেচদপ্তর কাজ করলেও এক বছরের মধ্যে নতুন করে ফের অন্য একটি জায়গা ভাঙনের কবলে পড়ে। রাতের ঘুম ওড়ে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের। এরপর ভাঙন রোধে সেচদপ্তর নদীর পাড়ে ইটের টুকরো, মাটির বস্তা ফেলার পাশাপাশি জোয়ার-ভাটাকে কাজে লাগিয়ে এক বিশেষ আকৃতির বাঁশের খাঁচার মাধ্যমে পলি জমানোর কাজ শুরু করে। এরপর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় নদীবাঁধে ইটের ম্যাট্রেস পাতার কাজ শুরু করে দপ্তর। সেই সঙ্গে বৃষ্টির জল আটকাতে পাড়ের অংশ পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। যদিও এইসবের মধ্যেই দিনকয়েক আগে দক্ষিণ জগদীশপুরে ইটের ম্যাট্রেসের কিছুটা অংশ নতুন করে বসে যায়। এতেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে। তাঁদের বক্তব্য, ভাঙন আটকাতে সেচদপ্তর একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও কোনোটাই স্থায়ী হচ্ছে না। যেভাবে বাঁধে ভাঙছে, তাতে চিন্তায় পড়েছেন বাসিন্দারা। সেচদপ্তরের এক কর্তা জানিয়েছেন, আতঙ্কের কারণ নেই। একটানা বর্ষার পাশাপাশি নদীতে জলের চাপ বৃদ্ধির কারণে ওই এলাকার মাটি কিছুটা বসে গিয়েছে। কাজ চলছে। ওই জায়গায় ভাঙনপ্রবণ এলাকায় নদীবাঁধের পিছনের অংশে ১ হাজার ৩০০ মিটার এলাকাজুড়ে ক্রংক্রিটের দেওয়াল তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেইমতো প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তাঁর আশা, বর্ষা মিটলেই মেরামতের কাজে হাত দেওয়া হবে। নিজস্ব চিত্র



