নয়াদিল্লি: বছর বছর কীভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস? দেশজোড়া বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে প্রবল বিড়ম্বনায় কেন্দ্রের মোদি সরকার। নিট কেলেঙ্কারি নিয়ে তাই ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্ত ও রি-টেস্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২১ জুন ফের পরীক্ষায় বসবেন প্রায় ২৩ লক্ষ পড়ুয়া। এই অবস্থায় পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা অটুট রাখতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্র। পাছে আবার কোনো অঘটন ঘটে, সেই আশঙ্কায় শুধুমাত্র এনটিএর উপর আর ভরসায় নারাজ সরকার। সেই সূত্রেই এবার মাঠে নামল খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (পিএমও)। সরকারি সূত্রে খবর, ২১ জুনের রি-টেস্টের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি, তার মুদ্রণ থেকে প্রশ্নপত্র পরীক্ষাকেন্দ্রে পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে দেওয়া— যাবতীয় বিষয়ে কড়া নজরদারি চালাবে পিএমও। প্রধানমন্ত্রী মোদি স্বয়ং প্রতি মুহূর্তে সব কিছুর খোঁজখবর নিচ্ছেন।
এই ইস্যুতে দিল্লিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, এনটিএ-র ডিজি অভিষেক সিং এবং পিএমও-র শীর্ষ কর্তারা।
এদিকে, নিট ও সিবিএসই বিভ্রাট নিয়ে মোদি সরকার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে ফের সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। লোকসভার বিরোধী দলনেতা অগণিত পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ বিপদের মুখে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করেছেন। সিবিএসইর ওএসএমের বরাতপ্রাপ্ত সংস্থাকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রীর পালটা জবাব, ভারতের প্রযুক্তিগত উন্নতির বিরোধিতা থেকেই এই ইস্যুতে রাজনীতি করছেন ‘হতাশ’ রাহুল গান্ধী। এরপরই কংগ্রেস নেতা কটাক্ষের সুরে বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানজি আপনি আমাকে যত ইচ্ছা আক্রমণ করতে পারেন। কিন্তু আপনি আপনার অপরাধ থেকে রেহাই পাবেন না। ১৮.৫ লক্ষ পড়ুয়ার হয়ে জবাব চাওয়া থেকেও আমাকে বিরত রাখতে পারবেন না।’