Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

এক দশকে ভারতে চরম দারিদ্র মুক্ত প্রায় ২৭ কোটি, রিপোর্ট বিশ্বব্যাঙ্কের

বিগত এক দশকে দেশে গরিবি হটাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের পাঁচটি রাজ্য।

এক দশকে ভারতে চরম দারিদ্র মুক্ত  প্রায় ২৭ কোটি, রিপোর্ট বিশ্বব্যাঙ্কের
  • ৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বিগত এক দশকে দেশে গরিবি হটাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের পাঁচটি রাজ্য। তার জেরেই অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে মোদি সরকার। বিশ্বব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক দশকে বারতে অতি দারিদ্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তারা জানিয়েছে, বিগত ১১ বছরে প্রায় ২৭ কোটি মানুষ চরম দারিদ্রসীমার উপরে উঠে এসেছেন। বিশ্বব্যাঙ্কের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  ২০১১-১২ সালে ভারতে চরম দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ (৩৪ কোটি ৪৪ লক্ষ)। একদশক পর অর্থাৎ ২০২২-২৩ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৩ শতাংশে (৭ কোটি ৫২ লক্ষ)। আর্থসামাজিক উন্নয়নের নিরিখে এই পরিসংখ্যানকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।  

Advertisement

বিশ্ব ব্যাঙ্কের তথ্য আরও জানিয়েছে, ২০১১-১২ সালে ভারতের মোট চরম দারিদ্রসীমায় থাকা মানুষের ৬৫ শতাংশই ছিলেন উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। কিন্তু, ১০ বছরে দুঃস্থ মানুষের সংখ্যা এই রাজ্যগুলি প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমিয়েছে। তার ফলেই গরিবি হটাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে ভারত। গ্রাম ও শহর উভয়ক্ষেত্রেই চরম দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের হার ব্যাপক কমেছে। গ্রামে ১৮.৪ শতাংশ থেকে কমে নয়া হার দাঁড়িয়েছে ২.৮ শতাংশে। এবং শহুরে এলাকায় ১০.৭ শতাংশ থেকে কমে তা হয়েছে ১.১ শতাংশ। 
তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতেই দ্রারিদ্রতার সীমা নির্ধারণ করেছে বিশ্বব্যাঙ্ক। ২০১১-১২ সালে দৈনিক ২.১৫ ডলার অর্থাৎ প্রায় ১৮৪ টাকা (বর্তমান টাকা দামের হিসেবে) খরচের ক্ষমতার ভিত্তিতে তালিকা তৈরি হতো। ২০২১ সালে তা  বাড়িয়ে ৩ ডলার অর্থাৎ ২৫৭ টাকা করেছে আন্তর্জাতিক এই প্রতিষ্ঠান। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তারপরও ভারতে কমেছে দরিদ্রের সংখ্যা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ