নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছর বছর ফিরে আসছে একই ভোগান্তির চিত্র। বাংলার শিক্ষা পোর্টালে ছাত্রছাত্রীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল আপলোড করতে গিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন শিক্ষকরা। ২৭ ডিসেম্বরের ফল প্রকাশ করার ব্যাপারে নির্দেশ রয়েছে শিক্ষাদপ্তরের। তবে, রাত জেগেও সেই কাজ শেষ করে উঠতে পারছেন না শিক্ষকরা। কারণ, ওয়েবসাইটই খুলছে না! প্রতিবছর একই সমস্যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ স্কুল শিক্ষকদের একটা বড় অংশ।
Advertisement
সরকার থেকে আগের মতোই ফাঁকা মার্কশিট স্কুলগুলিতে বিলি করা হয়। তবে, সেটা এখন গৌণ। বাংলার শিক্ষা স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এসএমএস) পোর্টালে পড়ুয়াদের নম্বর তুললে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই মার্কশিট তৈরি হয়ে যায়। তা ডাউনলোড এবং প্রিন্ট করে নিলেই হয়ে যায়। এতে শিক্ষকদের শ্রম এবং সময় কমেছে। কারণ মার্কশিট হাতে লেখার ঝামেলা নেই। তবে, তা পোর্টালে তুলতে গিয়েই নাজেহাল হতে হয় তাঁদের।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, যা পরিস্থিতি, তাতে হাতে লেখা মার্কশিটেই ফিরে যেতে হচ্ছে! কারণ, রাত জেগে শিক্ষকরা রীতিমতো ক্লান্ত। তিনি আরও একটি প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বলছেন। সেটা হল, ফর্মেটিভ ইভ্যালুয়েশনের নম্বর আগে জমা দিতে হয়। অন্যথায় সামেটিভ ইভ্যালুয়েশনের নম্বর জমা দেওয়া যায় না। আর কোনও শিক্ষক কোনও কারণে একজন পড়ুয়ার নম্বরও যদি দিতে দেরি করেন, পুরো ব্যাপারটাই থমকে যায়। যেমন যেমন নম্বর জমা পড়ছে, তেমনভাবেই যদি তা পোর্টালে তোলা যায় তাহলে এই অনাবশ্যক দেরিও হয় না। পোর্টালে নম্বর তোলার এমন পদ্ধতি পরিবর্তন করা হোক। কারণ, সব নম্বর তোলা না-হলে এমনিতেই মার্কশিট তৈরি হবে না। একেবারে মার্কশিট ডাউনলোডের সময়েই সব নম্বর জমা পড়ার শর্তটি থাকুক।
বিকাশভবনের এক আধিকারিক বলেন, এই সময়েই সার্ভারে বেশি চাপ পড়ে। তাই সমস্যা হতে পারে। তবে, অনেক স্কুলই ইতিমধ্যে কাজ শেষ করে ফেলেছে। কোনও স্কুলের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে থাকলে জানা নেই। সার্ভারের ক্ষমতা হঠাৎ করে বাড়ানোও সম্ভব নয়। এর সঙ্গে অনেক প্রযুক্তিগত বা আর্থিক বিষয় জড়িয়ে থাকে।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, যা পরিস্থিতি, তাতে হাতে লেখা মার্কশিটেই ফিরে যেতে হচ্ছে! কারণ, রাত জেগে শিক্ষকরা রীতিমতো ক্লান্ত। তিনি আরও একটি প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বলছেন। সেটা হল, ফর্মেটিভ ইভ্যালুয়েশনের নম্বর আগে জমা দিতে হয়। অন্যথায় সামেটিভ ইভ্যালুয়েশনের নম্বর জমা দেওয়া যায় না। আর কোনও শিক্ষক কোনও কারণে একজন পড়ুয়ার নম্বরও যদি দিতে দেরি করেন, পুরো ব্যাপারটাই থমকে যায়। যেমন যেমন নম্বর জমা পড়ছে, তেমনভাবেই যদি তা পোর্টালে তোলা যায় তাহলে এই অনাবশ্যক দেরিও হয় না। পোর্টালে নম্বর তোলার এমন পদ্ধতি পরিবর্তন করা হোক। কারণ, সব নম্বর তোলা না-হলে এমনিতেই মার্কশিট তৈরি হবে না। একেবারে মার্কশিট ডাউনলোডের সময়েই সব নম্বর জমা পড়ার শর্তটি থাকুক।
বিকাশভবনের এক আধিকারিক বলেন, এই সময়েই সার্ভারে বেশি চাপ পড়ে। তাই সমস্যা হতে পারে। তবে, অনেক স্কুলই ইতিমধ্যে কাজ শেষ করে ফেলেছে। কোনও স্কুলের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়ে থাকলে জানা নেই। সার্ভারের ক্ষমতা হঠাৎ করে বাড়ানোও সম্ভব নয়। এর সঙ্গে অনেক প্রযুক্তিগত বা আর্থিক বিষয় জড়িয়ে থাকে।



